আরজি করের মতো ‘পাপ’ রুখতে প্রয়োজন গীতা পাঠ! আদ্যাপীঠে পুজো দিয়ে বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর - 24 Ghanta Bangla News
Home

আরজি করের মতো ‘পাপ’ রুখতে প্রয়োজন গীতা পাঠ! আদ্যাপীঠে পুজো দিয়ে বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর

Spread the love

কলকাতা: মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর থেকেই রাজ্যের বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে নিয়মিত সফর করছেন শুভেন্দু অধিকারী। বুধবার সকালে তিনি পৌঁছে যান দক্ষিণেশ্বরের আদ্যাপীঠ মন্দিরে। সেখানে পুজো দেওয়ার…

কলকাতা: মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর থেকেই রাজ্যের বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে নিয়মিত সফর করছেন শুভেন্দু অধিকারী। বুধবার সকালে তিনি পৌঁছে যান দক্ষিণেশ্বরের আদ্যাপীঠ মন্দিরে। সেখানে পুজো দেওয়ার পাশাপাশি একাধিক পরিষেবার উদ্বোধন করেন মুখ্যমন্ত্রী। তবে এ দিন আদ্যাপীঠে দাঁড়িয়ে তাঁর বক্তব্যে উঠে আসে রাজ্যের সাম্প্রতিক পরিস্থিতি এবং আরজি কর প্রসঙ্গ। সমাজে নারী নির্যাতনের মতো জঘন্য অপরাধ রুখতে আধ্যাত্মিক জাগরণ এবং গীতা পাঠের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন তিনি। পাশাপাশি তাঁর বার্তা, গেরুয়া কোনও রাজনৈতিক রং নয়, এটি শৌর্য এবং ত্যাগের প্রতীক।

এ দিন সকালে আদ্যাপীঠে পৌঁছলে মুখ্যমন্ত্রীকে প্রসাদী মালা পরিয়ে স্বাগত জানান মন্দিরের অধ্যক্ষ ব্রহ্মচারী মুরাল ভাই। এর পর মন্দিরে আরতি করেন এবং পুজো দেন শুভেন্দু। আদ্যাপীঠে থাকা রাধাকৃষ্ণের মন্দিরেও পুজো দেন তিনি। মন্দির দর্শনের পাশাপাশি এ দিন আদ্যাপীঠের গোশালাতেও যান মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর হাত দিয়েই এ দিন আদ্যাপীঠের মূল ফটক এবং একটি অ্যাম্বুল্যান্স পরিষেবার উদ্বোধন হয়। নবরূপে সাজানো মাতৃ আশ্রমেরও উদ্বোধন করেন তিনি। ঘুরে দেখার ফাঁকে কথা বলেন স্কুলের ছাত্রছাত্রীদের সঙ্গেও।

পরে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে সনাতনী প্রতিষ্ঠানগুলিকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে সরকারের দায়বদ্ধতার কথা উল্লেখ করেন মুখ্যমন্ত্রী। সমাজ গঠনে এই ধরনের প্রতিষ্ঠানের ভূমিকা ব্যাখ্যা করতে গিয়ে তিনি বলেন, “সনাতনী প্রতিষ্ঠানগুলি মূলত চারটি কাজ করে থাকে। এরা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান চালায়, দুঃস্থ ঘরের ছেলেমেয়েদের শিক্ষার ব্যবস্থা করে। স্বাস্থ্য এবং সেবা ক্ষেত্রেও এদের উল্লেখযোগ্য অবদান রয়েছে।” মুখ্যমন্ত্রীর সংযোজন, “যে কোনও জায়গায় বন্যা বা প্রাকৃতিক বিপর্যয় হলে সরকারের আগে এই সনাতনী প্রতিষ্ঠানগুলিই সেখানে পৌঁছে যায়।”

এর পরেই এই প্রতিষ্ঠানগুলির চতুর্থ কর্মকাণ্ড তথা আধ্যাত্মিক জাগরণের প্রসঙ্গের অবতারণা করেন শুভেন্দু। আরজি করের ঘটনার আবহে সমাজকে বার্তা দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “মানুষের নিজের মধ্যে যদি হুঁশ ফেরে, তবেই সে প্রকৃত মানুষ হবে। তার মধ্যে ধর্মীয় ও আধ্যাত্মিক জাগরণ থাকলে পাপবোধ তৈরি হবে। খারাপ কাজ থেকে সে নিজেকে বিরত রাখবে।” এই প্রসঙ্গেই তাঁর তাৎপর্যপূর্ণ মন্তব্য, “শিশুকন্যাদের উপর নির্যাতন বা আরজি করের মতো ঘটনা, এই ধরনের পাপ কাজ থেকে বিরত রাখতে গীতা পড়াতে হবে। আধ্যাত্মিক জাগরণ সেই জায়গাতেই ঘটাতে হবে।” বক্তব্যের শেষে গেরুয়া রঙের তাৎপর্য বুঝিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “গেরুয়া কোনও রাজনৈতিক রং নয়। এটি শৌর্য, ত্যাগ, কৃচ্ছ্রসাধন এবং সংযমের রং।”

জিয়ারত-খড়্গপুরে দুটি স্বতন্ত্র ব্যাটারি এনার্জি স্টোরেজ সিস্টেম প্রকল্পের দায়িত্ব নিল WBSEDCL

মাঝআকাশে বিপত্তি! কোলাঘাটে মুখ্যমন্ত্রীর কপ্টারের জরুরি অবতরণ

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *