Cold and flu tips: সর্দিতে নাক বন্ধ? ভুলেও বারবার নাক ঝাড়বেন না, বরং এটা করে ফেলুন | Stuffy Nose Remedies: 5 Easy Ways To Relieve Nasal Congestion Naturally
বন্ধ নাক চটপট খুলে যাবেImage Credit: Free pik
ঋতু পরিবর্তনের সময় সর্দি (Cold) হলেই সবচেয়ে বড় জ্বালা হল নাক বন্ধ হয়ে যাওয়া। শ্বাস নিতে কষ্ট হয়, মাথার ভেতরটা যেন ভার হয়ে থাকে। আর এমন হলে অনেকেই বারবার রুমাল বা টিস্যু দিয়ে জোর করে নাক ঝাড়তে শুরু করেন। কিন্তু চিকিৎসকদের মতে, এইভাবে জোরে ও বারবার নাক ঝাড়লে সমস্যা আরও বাড়তে পারে। নাকের ভেতরের সংবেদনশীল অংশে জ্বালা বা ক্ষত তৈরি হতে পারে, এমনকী রক্তপাতও হতে পারে। ফলে নাক আরও বেশি বন্ধ লাগতে পারে।
তাহলে কী করবেন? ওষুধের দোকানে যাওয়ার আগে একদম সাধারণ ৫টি উপায়ে নাক বন্ধের সমস্যা থেকে কিছুটা স্বস্তি পেতে পারেন:
গরম বাষ্প নিন: গরম শাওয়ারের বাষ্প বা নিরাপদভাবে উষ্ণ বাষ্প নিলে নাকের ভেতরের জমে থাকা শ্লেষ্মা কিছুটা পাতলা হতে পারে। ফলে নাক বন্ধের সমস্যা থেকে সাময়িক আরাম মিলতে পারে। তবে ফুটন্ত জলের পাত্রের ওপর মুখ নিয়ে সরাসরি ভাপ নেওয়া উচিত নয়, এতে পুড়ে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে।
প্রচুর জল পান করুন: সর্দি হলে পর্যাপ্ত জল পান করা জরুরি। হালকা গরম জল, ঈষদুষ্ণ চা বা গরম সুপ খান। পর্যাপ্ত তরল পান করলে শরীর হাইড্রেটেড থাকে এবং ঘন শ্লেষ্মা কিছুটা পাতলা হতে সাহায্য করতে পারে।
নুন জলের ড্রপ: নাক পরিষ্কার রাখতে ফার্মেসিতে পাওয়া স্টেরাইল স্যালাইন নাসাল ড্রপ বা স্প্রে ব্যবহার করা যেতে পারে। এটি নাকের ভেতরের জমে থাকা শ্লেষ্মা ও ময়লা পরিষ্কার করতে এবং নাক বন্ধের সমস্যা থেকে কিছুটা স্বস্তি দিতে সাহায্য করতে পারে। ঘরে তৈরি নুনজল নাকে দেওয়ার ক্ষেত্রে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও জলের নিরাপত্তার বিষয়টি অবশ্যই মাথায় রাখতে হবে।
গরম সেঁক দিন: একটি পরিষ্কার তোয়ালে হালকা গরম জলে ভিজিয়ে নিংড়ে নিন। তারপর সেটি নাকের ওপর ও কপালজুড়ে কিছুক্ষণ ধরে রাখতে পারেন। এতে উষ্ণতার কারণে আরাম মিলতে পারে এবং নাক ও মুখের আশপাশের চাপ বা অস্বস্তি কিছুটা কমতে পারে।
মাথা উঁচু করে ঘুমান: রাতে শুলেই যেন নাক আরও বেশি বন্ধ হয়ে আসে। তাই ঘুমানোর সময় মাথা সামান্য উঁচুতে রাখার চেষ্টা করুন। এতে নাক বন্ধ থাকার কারণে তৈরি হওয়া অস্বস্তি কিছুটা কমতে পারে এবং শ্বাস নিতে আরাম লাগতে পারে।
কখন ডাক্তারের কাছে যাবেন?
তবে মনে রাখবেন, এই ঘরোয়া উপায়গুলো সাধারণ সর্দির ক্ষেত্রে সাময়িক উপশমের জন্য। যদি নাক বন্ধের সমস্যা কয়েকদিনেও না কমে বা ক্রমশ বাড়তে থাকে, তীব্র মাথা ব্যথা বা কান ব্যথা শুরু হয়, কিংবা সঙ্গে দীর্ঘস্থায়ী বা বেশি জ্বর আসে, তবে মোটেই দেরি করবেন না। সেক্ষেত্রে নিজের থেকে কোনও অ্যান্টিবায়োটিক বা ভারী ওষুধ না খেয়ে দ্রুত কোনও অভিজ্ঞ নাক-কান-গলা (ENT) বিশেষজ্ঞ বা ডাক্তারের পরামর্শ নিন। চিকিৎসক পরীক্ষা করে প্রয়োজন অনুযায়ী সঠিক চিকিৎসার পরামর্শ দেবেন।