‘অতি-বামপন্থা’ নিয়ে কেন চিন্তিত ট্রাম্প প্রশাসন? - 24 Ghanta Bangla News
Home

‘অতি-বামপন্থা’ নিয়ে কেন চিন্তিত ট্রাম্প প্রশাসন?

Spread the love

ইউরোপীয় ইউনিয়নের নিরাপত্তা সংস্থা ইউরোপোল-এর সাম্প্রতিক ‘ইইউ টেররিজ়ম সিচুয়েশন অ্যান্ড ট্রেন্ড রিপোর্ট’-এ বারবার সতর্ক করা হয়েছে যে শ্বেতাঙ্গ আধিপত্যবাদী এবং নব্য-নাৎসি নেটওয়ার্কগুলো ক্রমশ আরও সক্রিয় হচ্ছে। জার্মানির অভ্যন্তরীণ গোয়েন্দা সংস্থা বিআইভি প্রতি বছর তাদের প্রতিবেদনে দক্ষিণপন্থী উগ্রবাদকে দেশের সবচেয়ে গুরুতর অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা বিপদগুলোর একটি হিসেবে চিহ্নিত করছে। ক্রাইস্টচার্চ (নিউ জ়িল্যান্ড), এল পাসো (মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র), হ্যালে (জার্মানি), বাফেলো (যুক্তরাষ্ট্র)— এই হামলাগুলোর মধ্যে একটি মিল রয়েছে। এগুলো সবই শ্বেতাঙ্গ আধিপত্যবাদী এবং বর্ণবাদী বিদ্বেষপ্রসূত সন্ত্রাসী হামলা। বেশির ভাগই সংগঠিত আন্তর্জাতিক কম্যান্ড কাঠামোর মাধ্যমে পরিচালিত হয়নি। বরং অনলাইন নেটওয়ার্ক, ষড়যন্ত্র তত্ত্ব এবং তথাকথিত ‘লোন উলফ’ মতাদর্শের মাধ্যমে এক দেশ থেকে আর এক দেশে ছড়িয়ে পড়েছে। সামাজিক মাধ্যম এই আদর্শগত সংযোগকে আরও সহজ করে দিয়েছে।

এখানেই ট্রাম্প প্রশাসনের বর্তমান অবস্থান এবং অধিকাংশ গবেষণার মধ্যে একটি স্পষ্ট বৈপরীত্য দেখা যায়। প্রশাসন বলছে, এত দিন অতি-বাম সহিংসতাকে খাটো করে দেখানো হয়েছে। সমালোচকদের প্রশ্ন, যদি তা হয়েও থাকে, বর্তমান তথ্য কি এটিকে বিশ্বের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সন্ত্রাসবাদী হুমকি হিসেবে প্রতিষ্ঠা করার পক্ষে যথেষ্ট? এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গেলে আন্তর্জাতিক সম্পর্কের আর একটি গুরুত্বপূর্ণ ধারণার দিকে তাকাতে হয়— সিকিউরিটাইজ়েশন। আন্তর্জাতিক সম্পর্কের কোপেনহেগেন স্কুলের অন্যতম প্রধান তাত্ত্বিক ওলে ওয়েভার দেখিয়েছেন, কোনও বিষয়কে ‘অস্তিত্বের নিরাপত্তা নিয়ে হুমকি’ হিসেবে ঘোষণা করাই একটি রাজনৈতিক কাজ। কারণ, একবার কোনও ইস্যুকে নিরাপত্তার প্রশ্ন হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা গেলে সেটিকে কেন্দ্র করে নতুন আইন, অতিরিক্ত গোয়েন্দা তৎপরতা, নজরদারি এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতার বৈধতা তৈরি হয়। অর্থাৎ নিরাপত্তা শুধু বাস্তবতার বিষয় নয়, এটি রাজনৈতিক ভাষ্যও।

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *