বাংলার সাঁতারে নির্বাচন নিয়ে অচলাবস্থা, জাতীয় মিটের ট্রায়ালে ‘সময় কারচুপি’র অভিযোগ - 24 Ghanta Bangla News
Home

বাংলার সাঁতারে নির্বাচন নিয়ে অচলাবস্থা, জাতীয় মিটের ট্রায়ালে ‘সময় কারচুপি’র অভিযোগ

Spread the love

বাবান আদক, কলকাতা: জলের তলায় ক্রমশ তলিয়ে যাচ্ছে বাংলার সাঁতার! রাজ্য সাঁতার সংস্থার নির্বাচন (National Meet) বিশ বাঁও জলে। তার বদলে জাতীয় মিটের ট্রায়ালে ‘সময়ের…

বাবান আদক, কলকাতা: জলের তলায় ক্রমশ তলিয়ে যাচ্ছে বাংলার সাঁতার! রাজ্য সাঁতার সংস্থার নির্বাচন (National Meet) বিশ বাঁও জলে। তার বদলে জাতীয় মিটের ট্রায়ালে ‘সময়ের কারচুপি’ এবং চূড়ান্ত স্বজনপোষণের নির্লজ্জ খেলায় মেতেছে বর্তমান অ্যাড হক কমিটি। যোগ্যতাকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে ক্ষমতা কুক্ষিগত করে রাখা এই কর্তাদের অঙ্গুলিহেলনে কার্যত বলি হচ্ছেন প্রতিভাবান সাঁতারুরা।

খেলার মাঠে স্টপওয়াচ কখনও মিথ্যে বলে না, মিথ্যে বলেন ক্রীড়াকর্তারা। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, জাতীয় মিটের ট্রায়ালে ১০০ মিটার ব্যাকস্ট্রোকে উত্তর ২৪ পরগনার রীতিকা চৌধুরী সময় করেছিলেন ১ মিনিট ১৩ সেকেন্ড। অন্যদিকে ঐন্দ্রিলা বিশ্বাসের সময় ছিল ১ মিনিট ১৮ সেকেন্ড। সাঁতারের পুলে ৫ সেকেন্ডের ব্যবধান যোজন দূরত্বের সমান!

তিন জন বিচারকের সামনে ট্রায়াল দেওয়ার পরেও এই নজিরবিহীন দুর্নীতির শিকার হতে হলো রীতিকাকে। অ্যাড-হক কমিটি যোগ্য রীতিকাকে ছুঁড়ে ফেলে জাতীয় মিটের টিকিট ধরিয়ে দিল পরিষ্কার ৫ সেকেন্ড পিছিয়ে থাকা ঐন্দ্রিলাকে। এমনকী ২০০ মিটার ব্যাকস্ট্রোকেও সুযোগ দেওয়া হল তাঁকে, আর রীতিকাকে আটকে রাখা হল মাত্র ৫০ মিটারে। প্রকাশ্য দিবালোকে এই সময় চুরির দুঃসাহস কর্তারা পাচ্ছেন কোথা থেকে? যোগ্য সাঁতারুর স্বপ্ন ভেঙে দেওয়ার এই অধিকার তাঁদের কে দিল?

গত বছর বেনিয়মের অভিযোগে রাজ্য সাঁতার সংস্থার কমিটি ভেঙে দিয়েছিল এসএফআই। নির্দেশ ছিল, দু’মাসের মধ্যে নির্বাচন করে স্বচ্ছ কমিটি গড়তে হবে। কিন্তু সেই মেয়াদ কবেই পেরিয়ে গিয়েছে। গদি ছাড়ার বিন্দুমাত্র সদিচ্ছা নেই শৈবাল শাউয়ের নেতৃত্বাধীন অ্যাড হক কমিটির। মেয়াদ বৃদ্ধির কোনও সরকারি চিঠি দেখাতে না পারলেও, গায়ের জোরে চেয়ার আঁকড়ে বসে রয়েছেন তাঁরা।

ময়দানে কান পাতলেই শোনা যাচ্ছে, এই কমিটির আড়ালে বকলমে কলকাঠি নাড়ছেন প্রাক্তন বিতর্কিত কর্তা রামানুজ মুখোপাধ্যায়। সর্বভারতীয় ফেডারেশনের শীর্ষকর্তা বীরেন্দ্র নানাবতীর সঙ্গে রামানুজের সুসম্পর্ককে হাতিয়ার করেই এই প্রহসন চলছে বলে অভিযোগ জেলা সংস্থাগুলির।

অ্যাড হক কমিটির সদস্য বিশ্বজিৎ ঘোষ নির্লজ্জের মতো স্বীকার করে নিচ্ছেন, প্রথাগত রাজ্য মিট না হওয়ায় সাঁতারুরা ভবিষ্যতের জন্য জরুরি শংসাপত্র থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। অথচ কবে নির্বাচন হবে, সেই উত্তর তাঁর জানা নেই! এর চেয়ে বড় প্রহসন ময়দানে আর কী হতে পারে? কর্তাদের চেয়ার দখলের এই নোংরা রাজনীতি চলতে থাকলে বাংলার প্রতিভাবান সাঁতারুদের ভবিষ্যৎ অচিরেই যে গভীর জলে তলিয়ে যাবে, তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না।

Also Read |  NEET কে অনলাইনে নিয়ে যেতে চায় কেন্দ্র! কিন্তু বাস্তব কি বলছে ?

Also Read |  পুলিশের পোশাক জাল করে যন্তরমন্তরে নাশকতার ছক! হামিমকে নিয়ে ভয়ঙ্কর তথ্য STF র

Also Read | সন্ত্রাসবাদ অর্থায়নে ফের নজরে বাংলা! কালিকাপুরের মাদ্রাসা থেকে উদ্ধার ৪০লক্ষ নগদ-১৮০ গ্রামের সোনার মুদ্রা

Also Read |  পরের স্টেশন মোহনবাগান! মাঠের গণ্ডি ছাড়িয়ে মেট্রোর মানচিত্রে শতাব্দীপ্রাচীন ক্লাব

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *