কীভাবে একজন এয়ার হোস্টেস হওয়া যায় এবং এর জন্য কোন ডিগ্রির প্রয়োজন? - 24 Ghanta Bangla News
Home

কীভাবে একজন এয়ার হোস্টেস হওয়া যায় এবং এর জন্য কোন ডিগ্রির প্রয়োজন?

Spread the love

আপনি যদি আকাশপথে ভ্রমণ উপভোগ করেন এবং মানুষের সহায়তা ও তাদের সাথে মেলামেশা পছন্দ করেন, তবে এয়ার হোস্টেস বা কেবিন ক্রু হিসেবে কাজ করা আপনার…

আপনি যদি আকাশপথে ভ্রমণ উপভোগ করেন এবং মানুষের সহায়তা ও তাদের সাথে মেলামেশা পছন্দ করেন, তবে এয়ার হোস্টেস বা কেবিন ক্রু হিসেবে কাজ করা আপনার জন্য একটি চমৎকার পেশা হতে পারে (Air Hostess Job)। এই পেশায় কেবল যাত্রীদের খাবার ও পানীয় পরিবেশনই নয়, বরং তাদের নিরাপত্তা ও স্বাচ্ছন্দ্য নিশ্চিত করার দায়িত্বও পালন করতে হয়। জরুরি পরিস্থিতি সামাল দেওয়া, যাত্রীদের নিরাপত্তা-সংক্রান্ত নিয়মাবলি বুঝিয়ে বলা এবং প্রয়োজনে তাৎক্ষণিক সহায়তা প্রদানের জন্য এয়ার হোস্টেসদের বিশেষ প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।

উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, এই পেশার জন্য নির্দিষ্ট কোনো বিভাগে দ্বাদশ শ্রেণি পাস করা বাধ্যতামূলক নয়। সঠিক প্রবণতা, ভালো যোগাযোগ দক্ষতা এবং আত্মবিশ্বাস থাকলে যে কেউ এই ক্ষেত্রে নিজের ক্যারিয়ার গড়ে তুলতে পারেন।

দ্বাদশ শ্রেণীর পর কীভাবে এয়ার হোস্টেস হওয়া যায়?
এয়ার হোস্টেস হওয়ার জন্য সাধারণত কোনো স্বীকৃত বোর্ড থেকে দ্বাদশ শ্রেণী উত্তীর্ণ হওয়া প্রয়োজন। প্রার্থীরা আর্টস, কমার্স বা সায়েন্স—যেকোনো বিভাগেরই হতে পারেন। কোনো কোনো এয়ারলাইনস স্নাতক ডিগ্রিধারীদের অগ্রাধিকার দিতে পারে। এছাড়া এভিয়েশন, হসপিটালিটি, ট্রাভেল অ্যান্ড ট্যুরিজম কিংবা কেবিন ক্রু অপারেশনস-এর মতো বিষয়ে কোনো কোর্স সম্পন্ন করাটা সুবিধাজনক হতে পারে, যদিও সব ক্ষেত্রে তা বাধ্যতামূলক নয়।

এয়ারলাইনের নিয়মকানুন অনুযায়ী একজন প্রার্থীর বয়স, উচ্চতা, শারীরিক সক্ষমতা এবং স্বাস্থ্যগত মানদণ্ডও যাচাই করা হয়। সাধারণত, নতুন প্রার্থীদের ক্ষেত্রে ন্যূনতম বয়স হতে হয় ১৮ বছর। উচ্চতা এবং অন্যান্য শারীরিক মানদণ্ডের প্রয়োজনীয়তা এয়ারলাইনভেদে ভিন্ন হতে পারে।

নির্বাচন প্রক্রিয়ার সময় কোন বিষয়গুলোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া উচিত?

এয়ার হোস্টেস নিয়োগ প্রক্রিয়াটি শুরু হয় অনলাইনে আবেদন জমা দেওয়া এবং জীবনবৃত্তান্ত (resume) যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমে। এরপর পর্যায়ক্রমে গ্রুপ আলোচনা, সাক্ষাৎকার, ইংরেজি ভাষার দক্ষতা যাচাই এবং স্বাস্থ্য পরীক্ষার মতো ধাপগুলো সম্পন্ন করা হয়। চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত হওয়ার পর এয়ারলাইন কর্তৃপক্ষ প্রার্থীদের প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ প্রদান করে।

এই প্রশিক্ষণের অন্তর্ভুক্ত বিষয়গুলোর মধ্যে রয়েছে বিমানের নিরাপত্তা, জরুরি পরিস্থিতি সামলানো, প্রাথমিক চিকিৎসা (first aid), সিপিআর (CPR), গ্রাহক সেবা এবং কেবিন পরিষেবা।

কী কী দক্ষতার প্রয়োজন?
এই পেশার জন্য হিন্দি ও ইংরেজি ভাষায় কথা বলার দক্ষতা অত্যন্ত জরুরি। প্রার্থীদের আত্মবিশ্বাস, মার্জিত আচরণ, দলগতভাবে কাজ করার ক্ষমতা, সমস্যা সমাধানের দক্ষতা এবং চাপের মুখেও শান্ত থাকার সক্ষমতা থাকা প্রয়োজন। আন্তর্জাতিক এয়ারলাইন্সের সাথে কাজ করার ক্ষেত্রে কোনো বিদেশি ভাষা জানা থাকলে তা বাড়তি সুবিধা হিসেবে গণ্য হতে পারে।

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *