৬ অগস্টের মধ্যে e-KYC না করলে অনেক বেশি দামে কিনতে হবে রান্নার গ্যাস, গ্রাহকরা কী করবেন?
কী ভাবে করতে হবে ই-কেওয়াইসি?
গ্রাহকরা নিজের সুবিধা মতো ইন্ডিয়ান ওয়েলের ‘IndianOil ONE’, ভারত পেট্রোলিয়ামের ‘Hello BPCL’ বা এইচপি-র ‘HP Pay’ অ্যাপ ডাউনলোড করে Face Authentication (মুখমণ্ডল চেনার প্রযুক্তি) ব্যবহার করে কাজটি সেরে নিতে পারেন। আবার সরাসরি স্থানীয় এলপিজি ডিস্ট্রিবিউটরের অফিসে গিয়ে আঙুলের ছাপ (Fingerprint), ফেস রিকগনিশন (Facial Recognition) কিংবা রেটিনা স্ক্যান (Retina Scan)-এর মাধ্যমেও ই-কেওয়াইসি করা যাবে। ডিস্ট্রিবিউটররা জানিয়েছেন, প্রবীণ বা যাঁদের হাঁটচলা করতে সমস্যা হয়, তাঁদের জন্য প্রয়োজনে সংস্থার কর্মীদের বাড়িতে পাঠিয়ে বিশেষ বায়োমেট্রিক যাচাই প্রক্রিয়ার ব্যবস্থা করা হতে পারে।
সময়সীমার মধ্যে e-KYC না করালে কী হতে পারে?
তেল সংস্থা এবং ডিস্ট্রিবিউটারদের বক্তব্য, কোনও গ্রাহক রান্নার গ্যাস সংযোগে আধার না জুড়লে ভর্তুকিও পাবেন না। কলকাতায় যা এখন সিলিন্ডার পিছু ১৯.৫৭ টাকা। পাশাপাশি অল ইন্ডিয়া এলপিজি ডিস্ট্রিবিউটর্স ফেডারেশনের সহ-সভাপতি বিজন বিশ্বাস বলেন, ‘সিলিন্ডারও বেশি দামে কিনতে হবে। কলকাতার সাধারণ গ্রাহক ই-কেওয়াইসি না করালে আর এখনকার মতো ৯৬৮ টাকায় সিলিন্ডার কিনতে পারবেন না।’ প্রসঙ্গত, গত মার্চে পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধের কারণে ই-কেওয়াইসি ছাড়া রান্নার গ্যাস দেওয়া বন্ধ করা হয়। এ বার জোগান বন্ধের কথা না বলা হলেও, দামের বোঝা চাপিয়ে সকলকে আধার জুড়তে বলা হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, এর পরে ই-কেওয়াইসি না থাকার যুক্তিতে সরবরাহ ফের বন্ধ করা হতে পারে। ইন্ডেন ডিলার সংগঠনের দাবি, তিন-চার বছর ধরেই তেল সংস্থাগুলি ই-কেওয়াইসিতে জোর দিচ্ছে। তবে বহু বার তা করার সময় বাড়ালেও, এত কড়া নির্দেশিকা অতীতে জারি হয়নি।