২০২৯ এ ৩৮ কোটি ভোটার শুধুই GEN Z! অশনি সংকেত মোদী সরকারের ?
কলকাতা: ২০২৯ সালের লোকসভা নির্বাচন নিয়ে এখন সবার আগ্রহ তুঙ্গে (Gen Z)। সূত্রের খবরে জানা যাচ্ছে এই নির্বাচনে GEN Z প্রজন্ম ভারতের সবচেয়ে বড় ভোটার…
কলকাতা: ২০২৯ সালের লোকসভা নির্বাচন নিয়ে এখন সবার আগ্রহ তুঙ্গে (Gen Z)। সূত্রের খবরে জানা যাচ্ছে এই নির্বাচনে GEN Z প্রজন্ম ভারতের সবচেয়ে বড় ভোটার গোষ্ঠী হয়ে উঠতে চলেছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের হিসাব অনুসারে, GEN Z ভোটার হবেন ২৯ থেকে ৩৩ শতাংশ। যা সংখ্যায় প্রায় ৩৮ কোটি। অর্থাৎ প্রতি তিনজন ভোটারের একজন হবেন এই প্রজন্মের।
নতুন ভোটার হিসেবে যোগ হবেন আরও ৫ থেকে ৬ কোটি মানুষ, যাঁরা সবাই GEN Z। (Gen Z)বিহার, উত্তরপ্রদেশ, ঝাড়খণ্ড, রাজস্থান ও মধ্যপ্রদেশে এই প্রজন্মের অংশ আরও বেশি, ৩১ থেকে ৩৭ শতাংশ। এই রাজ্যগুলোতে মোট ১৮৮টি লোকসভা আসন রয়েছে। এর সঙ্গে কেরল, তামিলনাড়ু ও অন্ধ্রপ্রদেশের ৮৪টি আসন যোগ করলে যেখানে তাঁদের অংশ ২২ থেকে ২৪ শতাংশ, তখন চিত্র আরও স্পষ্ট হয়।
আরও দেখুনঃ মোদী আমলে বিদেশ থেকে পুনরুদ্ধার করা হয়েছে ১৮,৭৬২ কোটি! দাবি শাহের
এই রাজ্যগুলোতে GEN Z র ভোট ফলাফল নির্ধারণে বড় ভূমিকা রাখতে পারে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশ।সাংবাদিক সুধীর চৌধুরী এই বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়ে তুলে ধরেছেন। তাঁর মতে, এটি সাধারণ যুব ভোট নয়। এটি নির্ণায়ক ভোট। যে কোনো দল যদি এখনও ২০১০-এর স্লোগান, বিনামূল্যে সুবিধার নস্টালজিয়া বা স্থায়ী ভিকটিম হুড নিয়ে চলে, তাহলে তারা দেয়ালে ধাক্কা খাবে।
GEN Z র সংখ্যা এতটাই যে তারা চাইলে ফলাফল উল্টে দিতে পারে। প্রশ্ন একটাই কে তাঁদের বুঝতে পারছে।জেন জেড মানে সাধারণত ১৯৯৭ থেকে ২০১২ সালের মধ্যে জন্ম নেওয়া প্রজন্ম। ২০২৯ সালে তাঁদের বয়স হবে ১৮ থেকে ৩২। এই প্রজন্ম ডিজিটাল মাধ্যমে বড় হয়েছে। ইনস্টাগ্রাম, ইউটিউব, রিলস ও সোশ্যাল মিডিয়া তাঁদের মতামত গঠনে বড় প্রভাব রাখে। চাকরি, শিক্ষা, মূল্যস্ফীতি, আবাসন ও সুশাসনের মতো বিষয় তাঁদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ।
আরও দেখুনঃ উরফি-পুনম পান্ডেকে টাকা দিয়ে আন্দোলনে নিয়ে এসেছিল দিপকে! অভিযোগ ইনফ্লুয়েন্সারের
সাম্প্রতিক ছাত্র আন্দোলনগুলোতে তাঁদের সক্রিয়তা দেখা গেছে। (Gen Z)নির্বাচনী গণিত বলছে, হিন্দি হার্টল্যান্ডে তাঁদের প্রভাব সবচেয়ে বেশি। উত্তরপ্রদেশে ৮০, বিহারে ৪০ ও ঝাড়খণ্ডে ১৪টি আসন। এই তিন রাজ্যেই ১৩৪টি আসন। এখানে GEN Z র বড় অংশ থাকলে যেকোনো জোটের জন্য তাঁদের সমর্থন অপরিহার্য হয়ে উঠবে। দক্ষিণের রাজ্যগুলোতেও তাঁদের উপস্থিতি উপেক্ষা করা যাবে না।
রাজনৈতিক দলগুলোকে এখন নতুন কৌশল ভাবতে হবে। পুরনো স্লোগান বা শুধুমাত্র ভর্তুকির প্রতিশ্রুতি দিয়ে এই প্রজন্মকে আকৃষ্ট করা কঠিন হতে পারে। তাঁরা স্বচ্ছতা, সুযোগ ও বাস্তব সমাধান খোঁজেন। সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে সরাসরি যোগাযোগ ও তাঁদের ভাষায় কথা বলার দক্ষতা দরকার।
আরও দেখুনঃ E ২০ ইথানল মিশ্রণ নীতির পক্ষে এবার সরাসরি মোদী সরকাকে সমর্থন কৃষক মোর্চার