মোদী আমলে বিদেশ থেকে পুনরুদ্ধার করা হয়েছে ১৮,৭৬২ কোটি! দাবি শাহের
নয়াদিল্লি: কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ মঙ্গলবার সমাজমাধ্যমে একটি পোস্ট করেছেন (Amit Shah)। তিনি তার পোস্টে জানিয়েছেন, মোদী সরকারের আমলে ২০১৯ সাল থেকে এখন পর্যন্ত বিদেশে…
নয়াদিল্লি: কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ মঙ্গলবার সমাজমাধ্যমে একটি পোস্ট করেছেন (Amit Shah)। তিনি তার পোস্টে জানিয়েছেন, মোদী সরকারের আমলে ২০১৯ সাল থেকে এখন পর্যন্ত বিদেশে পালিয়ে থাকা ২৭৪ জন অপরাধীকে দেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। তিনি বলেছেন, ইউপিএ আমলে বছরে গড়ে মাত্র চারজনকে ফিরিয়ে আনা হত। এছাড়াও তিনি বলেছেন কঠোর আইন প্রয়োগে বিদেশ থেকে ফিরিয়ে আনা হয়েছে ১৮,৭৬২ কোটি টাকা।
নতুন ভারত আইনি সংস্কার, প্রতিষ্ঠান ও বৈশ্বিক অংশীদারিত্বের (Amit Shah)মাধ্যমে নিরাপত্তার জাল শক্ত করেছে।শাহের পোস্টে উল্লেখ করা হয়েছে, “একটি শক্তিশালী ও নিরাপদ ভারতের দৃষ্টিভঙ্গির অধীনে মোদী সরকার জাল টেনেছে এবং বিদেশে লুকিয়ে থাকা পলাতকদের ধরেছে। তারা যে দেশেই পালিয়ে যাক না কেন, জাতীয় নিরাপত্তার নতুন দৃষ্টিভঙ্গি নিশ্চিত করেছে ২০১৯ সাল থেকে ২৭৪ জন অপরাধীর প্রত্যাবর্তন।
আরও দেখুনঃ বড় সিদ্ধান্ত মোদী-শাহের! বাংলাদেশ সীমান্তে তৈরী হচ্ছে ৪০টি নতুন সাবসিডিয়ারি ইন্টেলিজেন্স ব্যুরো
ইউপিএ আমলে বছরে মাত্র চারজনের তুলনায় এটি অনেক বেশি। সেই দিনগুলো চলে গেছে যখন অপরাধীরা ব্যবস্থার ফাঁক দিয়ে পালিয়ে যেত। নতুন ভারত নতুন আইন, প্রতিষ্ঠান ও বৈশ্বিক অংশীদারিত্বের মাধ্যমে পুরনো ব্যবস্থার প্রতিটি ফাঁক পূরণ করেছে এবং অভেদ্য নিরাপত্তা জাল বুনেছে।”সরকারি তথ্য অনুসারে, এই ২৭৪ জনকে ৩৬টি দেশ থেকে ফিরিয়ে আনা হয়েছে।
এদের মধ্যে খুন, সংগঠিত অপরাধ, যৌন অপরাধ, (Amit Shah)সন্ত্রাসবাদ, মাদক পাচার, আর্থিক প্রতারণা, মানব পাচারসহ বিভিন্ন মামলার আসামি রয়েছেন। বছরভিত্তিক হিসাবে ২০১৯ সালে ৯ জন, ২০২০-এ ৭, ২০২১-এ ২৩, ২০২২-এ ৪০, ২০২৩-এ ৩৭, ২০২৪-এ ৪৩, ২০২৫-এ ৭০ এবং ২০২৬ সালের জুলাই পর্যন্ত ৪৫ জনকে ফিরিয়ে আনা হয়েছে।স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, পলাতক অপরাধীদের ফিরিয়ে আনাকে জাতীয় অগ্রাধিকার হিসেবে নেওয়া হয়েছে।
আরও দেখুনঃ E ২০ ইথানল মিশ্রণ নীতির পক্ষে এবার সরাসরি মোদী সরকাকে সমর্থন কৃষক মোর্চার
এনআইএ সংশোধনী আইন, ইউএপিএ সংশোধনী (Amit Shah)এবং নতুন ফৌজদারি আইনগুলো এই প্রক্রিয়াকে শক্তিশালী করেছে। ইন্টারপোলের রেড কর্নার নোটিশের সংখ্যাও বেড়েছে। গত তিন বছরে ৪০১টি নোটিশ জারি করা হয়েছে। অপারেশন ত্রিশূলের মাধ্যমে উপগ্রহ প্রযুক্তি ও ডিজিটাল পদচিহ্ন ব্যবহার করে পলাতকদের অবস্থান শনাক্ত করা হচ্ছে।
অর্থ পাচার প্রতিরোধ আইনের কঠোর প্রয়োগে পলাতকদের ১৭,৮৭৪ কোটি টাকার সম্পত্তি সংযুক্ত করা হয়েছে এবং ১৮,৭৬২ কোটি টাকা পুনরুদ্ধার করা হয়েছে। সরকার দাবি করেছে, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা, কূটনৈতিক তৎপরতা এবং প্রযুক্তিনির্ভর পদ্ধতির মাধ্যমে এই সাফল্য এসেছে।