‘বন্দে মাতরম’-এর অপমানে শাস্তি, হতে পারে ৩ বছরের জেল-জরিমানা, রাজ্যসভায় পাশ বিল
FAQ
১. ‘বন্দে মাতরম’ বিল কী?
এটি প্রিভেনশন অফ ইনসাল্টস টু ন্যাশনাল অনার (সংশোধনী) বিল, ২০২৬। এর মাধ্যমে জাতীয় গান ‘বন্দে মাতরম’-কে আইনি সুরক্ষা দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে।
২. কী শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে?
‘বন্দে মাতরম’ অপমান করা বা গাওয়া-বাজানোয় বাধা দিলে সর্বোচ্চ তিন বছরের কারাদণ্ড, জরিমানা বা দু’টোই হতে পারে।
৩. বিলটি এখনই আইন হয়ে গেল?
না। রাজ্যসভায় পাস হওয়ার পর বিলটি লোকসভায় যাবে। সেখানেও পাস হলে রাষ্ট্রপতির অনুমোদনের পর তা আইনে পরিণত হবে।
৪. কেন এই বিল আনা হল?
কেন্দ্রের দাবি, স্বাধীনতা আন্দোলনে ‘বন্দে মাতরম’-এর ঐতিহাসিক ভূমিকা এবং জাতীয় গানের মর্যাদা রক্ষার জন্য এই সংশোধনী প্রয়োজন।
৫. ‘বন্দে মাতরম’ কবে লেখা হয়েছিল?
বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ১৮৭৫ সালে গানটি রচনা করেন। ১৮৮২ সালে এটি ‘আনন্দমঠ’ উপন্যাসে প্রকাশিত হয়। ১৮৯৬ সালে কলকাতায় কংগ্রেসের অধিবেশনে প্রথম জনসমক্ষে গানটি গেয়েছিলেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।
৬. সরকারি অনুষ্ঠানে ‘বন্দে মাতরম’ নিয়ে কী নিয়ম রয়েছে?
কেন্দ্রের নির্দেশ অনুযায়ী, যেখানে জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশিত হবে, সেখানে ‘বন্দে মাতরম’ও গাওয়া বা বাজানো হবে। নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, জাতীয় সঙ্গীতের আগে ‘বন্দে মাতরম’ পরিবেশন করতে হবে এবং সেই সময় সবাইকে সতর্ক অবস্থায় দাঁড়িয়ে থাকতে হবে।