ছোট্ট খুশির জবাবে চোখ ভিজল শিক্ষকেরও
পাশ থেকে সমস্বরে বাকিরা সাদ্দামের কাছে নালিশ ঠোকে, ‘ও ছার, খুশি মিছে কথা বলছে গো! ও তো কখনই নিজে ডিম খায় না। পেলেই ভাইয়ের জন্য নিয়ে যায়।’ সাদ্দামের গলার কাছে একটা নোনতা দলা আটকে যায়।
খুশির বাবা শম্ভু কর টোটো চালান। মা পল্লবী সামলান গেরস্তালি। নুন আনতে পান্তা ফুরোনো চার জনের সংসারে খুশির মুখে অবশ্য সব সময়ে হাসি লেপ্টে। মগরাহাটের জয়েন খাঁ এলাকার বেশিরভাগ লোকজনের নিত্যসঙ্গী অভাব। কেউ টোটো চালান, কেউ আনাজ বেচেন। অভাবের কোলে-কাঁখেই বড় হচ্ছে খুশির মতো খুদেরা। সাদ্দাম বোঝেন, ওদের কাছে একটা ডিমের মূল্য কতখানি। নরম গলায় বললেন, ‘আচ্ছা বেশ। তবে, তুইও খাস কিন্তু।’