হাজার টাকার ‘ছাতু’ দিয়েই হয় জামাই আপ্যায়ন, জঙ্গলমহলের এই ‘গুপ্তধনের’ খবর রাখেন?
জঙ্গলের ছাতুর বিচিত্র সংসার
প্রত্যেক ছাতুর আলাদা পরিচয় রয়েছে। সেই রহস্য লুকিয়ে নামকরণে। উই ছাতু যেমন উইয়ের ঢিবির সামনে জন্মায়। আবার বালি ছাতু জন্মায় ল্যাটেরাইট বা বালিমাটিতে, বিশেষ করে জুলাই-অগস্টে। দুগ্গা বা কাড়ান ছাতু শরৎকালে দেখা যায়, মানে দুর্গাপুজোর সময়ে। এর স্বাদ মাছ-মাংসের চেয়ে কম নয়। বাজারে নিয়ে গেলে রীতিমতো কাড়াকাড়ি পড়ে যায়। মৌঢাল ছাতু জন্মায় শালগাছের গোড়ার ভিজে মাটিতে। জুন থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত পাওয়া গেলেও জুলাই-আগস্টেই সবচেয়ে বেশি মেলে।
পুটকা বা কুড়কুড়ি ছাতু গোল। আকারে ছোট। শালের জঙ্গলে মাটির নীচে জন্মায়। পুয়াল বা খড় ছাতু আবার হয় খড় কিংবা বিচালির স্তূপে। প্রবল বৃষ্টির পরে সগর্বে মাথা তোলে। এ ছাড়াও রয়েছে কান ছাতু, কমলা ছাতু, জীবন ছাতু, কাঠ ছাতু, শুকনা ছাতু, পিঠা বা আটা ছাতু, ধুলা বা গুয়া ছাতু, ঝিনুক ছাতু, সোনাঝুরি বা খোপ ছাতু, কালোপাত্রা, জাম ছাতু, ঝড় ছাতু, মুরগি ছাতু, ঝাল ছাতু, পাখা ছাতু, পারাবানা বা আদা ছাতু, দুর্গা বা শিক ছাতুর মতো আরও বহু প্রজাতি।