Health Minister: সেবাশ্রয় নিয়ে এবার অভিষেককে 'একত্রিশের' চ্যালেঞ্জ স্বাস্থ্যমন্ত্রীর, বিস্ফোরক ঋতব্রতও | Sebaashray controversy health minister sharadwat mukherjee challenges abhishek banerjee over alleged irregularities - 24 Ghanta Bangla News
Home

Health Minister: সেবাশ্রয় নিয়ে এবার অভিষেককে ‘একত্রিশের’ চ্যালেঞ্জ স্বাস্থ্যমন্ত্রীর, বিস্ফোরক ঋতব্রতও | Sebaashray controversy health minister sharadwat mukherjee challenges abhishek banerjee over alleged irregularities

Spread the love

শারদ্বত মুখোপাধ্যায় (বাঁদিকে), সেবাশ্রয় শিবিরে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (ফাইল ফোটো)Image Credit: TV9 Bangla

কলকাতা: সেবাশ্রয় স্বাস্থ্য শিবির নিয়ে ক্রমশ চাপ বাড়ছে ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের। এবার সেবাশ্রয় নিয়ে সরব হলেন রাজ্যের স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায়। অভিষেককে সবকিছুর হিসেব দিতে হবে বলে হুঁশিয়ারি দিলেন তিনি। একইসঙ্গে অভিষেকের ২০৩১ সালে জবাব দেওয়া নিয়ে মন্তব্যেরও পাল্টা দিলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। অভিষেকের সেবাশ্রয় নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়।

সেবাশ্রয় নিয়ে কী বললেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী?

এদিন সেবাশ্রয় নিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায় বলেন, “সেবাশ্রয় নিয়ে স্বাস্থ্য দফতরও তদন্ত চালাচ্ছে। যা তথ্য পাওয়া যাচ্ছে, মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পাঠানো হবে। নিয়ম বহির্ভূতভাবে একের পর এক ইউএসজি মেশিন বাইরে নিয়ে গিয়েছেন। ক্যাম্পের মধ্যে যা যা করেছিলেন, তার জন্য লাইসেন্স টু অপারেট কোথায়? নেই। সেবাশ্রয়ের জন্য স্বাস্থ্যভবনে তলব করেছি, ফাইল কোথায়? নেই। ডায়মন্ডহারবার মেডিক্যাল কলেজে জিজ্ঞাসা করেছি, কে অনুমতি দিয়েছিল? বলল, কেউ অনুমতি দেয়নি। তাহলে এসব হল কী করে? বলল, সব ফোনে আর হোয়াটসঅ্যাপে।”

কয়েকদিন আগে তাঁর আমতলার কার্যালয় ভাঙা নিয়ে অভিষেক হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন, ২০৩১ সালে সব হিসাব হবে। এদিন অভিষেককে পাল্টা নিশানা করে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, “একত্রিশ সাল পর্যন্ত অপেক্ষা করবেন না। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় দম থাকলে ৩১ জুলাই ২০২৬-এ উত্তর দিন সেবাশ্রয়ে কী কী করেছিলেন। জনগণের কাছে উত্তর দিন। সেবাশ্রয়ের নাম করে গরিব মানুষের প্রাণহানি, অঙ্গহানি করেছেন। নার্সিংহোমগুলি চমকে রক্ত পরীক্ষা করিয়েছেন। সবকিছুর হিসেব দিতে হবে।”

সেবাশ্রয় নিয়ে বিস্ফোরক বিধানসভার বিরোধী দলনেতা-

বিধানসভার বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “সেবাশ্রয় এই সময়কালের অন্যতম বড় দুর্নীতি। সেবাশ্রয় কোনও ছোটখাটো দুর্নীতি নয়। আর আমি শুধু দুর্নীতির মধ্যে ফেলছি না। এটার সঙ্গে মানি লন্ডারিংয়ের একটা সম্পর্ক রয়েছে বলে আমার ধারণা। আমি এটা যেখানে জানানোর, সেখানে জানাব বলে ঠিক করেছি।” তিনি আরও বলেন, “সেবাশ্রয়ে কী কী হয়েছে? একাধিক মানুষের হাত-পা কেটে বাদ চলে গিয়েছে। হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকদের অ্যালোপ্যাথিক চিকিৎসক বলে দেখানো হয়েছে। কালো টাকা সাদা করার জন্য সেবাশ্রয় ব্যবহার করা হয়েছে। আমি দিল্লিতে গিয়ে সংশ্লিষ্ট জায়গায় জানাব। সেবাশ্রয় বড় স্কেলের দুর্নীতি।”

অভিষেককে নিশানা করে রাজ্য বিজেপির প্রধান মুখপাত্র দেবজিৎ সরকার বলেন, “সেবাশ্রয় ব্যাপারটাই বেনিয়ম। জনগণের করের টাকায় স্বাস্থ্যব্যবস্থা রয়েছে। তাকে বাইপাস করে সেবাশ্রয় করতে হল কেন? তাহলে ধরে নিতে হয়, স্বাস্থ্যব্যবস্থা ভেঙে পড়েছিল। আর সেবাশ্রয়ে কারা পরিষেবা দিয়েছেন? স্বাস্থ্য পরিষেবার সঙ্গে সম্পর্ক নেই, এমন লোক পরিষেবা দিয়েছেন। এর বিচার তো হবেই। আর পিছনে যিনি ছিলেন, তিনি যত বড়ই বীর পুরুষ হোন, বাদ যাবেন না।” গতকালই বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেছিলেন, “একটি বড় স্ক্যাম সামনে এসেছে। ভাইপোর সেবাশ্রয়ের স্ক্যাম। একবার ঢুকলে বেরোবে না। এই চিটিংবাজ ভাইপোকে কেউ বাঁচাতে পারবে না।”

এই নিয়ে কালীঘাট তৃণমূলের বিধায়ক কুণাল ঘোষ বলেন, “সেবাশ্রয় নিয়ে আমি অভিষেককে ডিফেন্ড করছি না। আমি সেবাশ্রয় সম্পর্কে বিশেষ জানি না। কিন্তু, যিনি বিধানসভায় নেই, তাঁকে নিয়ে কেন বিধানসভায় আলোচনা হবে? তাঁকে নিয়ে কিছু বলার থাকলে লোকসভায় বলা হোক। উনি লোকসভার সদস্য।”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *