না ছিল হারমোনিয়াম, না ট্রামভাড়া— হেমন্ত মুখোপাধ্যায়ের অজানা কাহিনি
FAQ
হেমন্তের জীবনের প্রথম দিকে সঙ্গীতচর্চার প্রধান অবলম্বন কী ছিল?
উত্তর: হেমন্তের নিজের কোনও হারমোনিয়াম ছিল না। তাঁর বন্ধু শ্যামসুন্দরের বাড়িতে হারমোনিয়াম-সহ যাবতীয় বাদ্যযন্ত্র ও গ্রামোফোন রেকর্ড ছিল। সেখানেই তিনি গান শুনে চর্চা করতেন।
হেমন্ত কী ভাবে নিজের প্রথম হারমোনিয়াম পেয়েছিলেন?
উত্তর: গানের রেকর্ড থেকে পাওয়া জীবনের প্রথম ৪০ টাকা উপার্জনের পর তাঁর বাবা তাঁকে একটি নতুন হারমোনিয়াম কিনে দিয়েছিলেন।
ভবানীপুর থেকে টালিগঞ্জে গুরু শৈলেশ দত্তগুপ্তের কাছে হেমন্ত হেঁটে যেতেন কেন?
উত্তর: হেমন্তের বাবার সাধারণ চাকরি ও বড় সংসারের কারণে তাঁর কাছে ট্রাম ভাড়ার সামান্য টাকাটুকুও থাকত না, তাই তিনি হেঁটে যাতায়াত করতেন।
হেমন্তের দেরি হওয়ার কারণ শুনে গুরু শৈলেশ দত্তগুপ্ত কী প্রতিক্রিয়া জানিয়েছিলেন?
উত্তর: সত্যি ঘটনা ও অর্থকষ্টের কথা শুনে শৈলেশবাবু স্নেহভরে হেমন্তকে জড়িয়ে ধরেন এবং তাঁর সব ট্রাম ভাড়া দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন।