কল্যাণ-মহুয়ার সঙ্গে কী কথা হল? মুখ খুললেন বিজেপি সভাপতি শমীক - 24 Ghanta Bangla News
Home

কল্যাণ-মহুয়ার সঙ্গে কী কথা হল? মুখ খুললেন বিজেপি সভাপতি শমীক

Spread the love

কলকাতা: একুশে জুলাইয়ের শহিদ দিবসের মঞ্চে দলের সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে প্রকাশ্য কথা কাটাকাটি এবং রেগেমেগে মঞ্চ ছাড়ার ঘটনায় ইতিমধ্যেই শোরগোল পড়েছে রাজনৈতিক মহলে। তবে…

কলকাতা: একুশে জুলাইয়ের শহিদ দিবসের মঞ্চে দলের সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে প্রকাশ্য কথা কাটাকাটি এবং রেগেমেগে মঞ্চ ছাড়ার ঘটনায় ইতিমধ্যেই শোরগোল পড়েছে রাজনৈতিক মহলে। তবে সেই ক্ষোভের রেশ কাটতে না কাটতেই এবার তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজনৈতিক অবস্থান ও গতিবিধি নিয়ে নতুন করে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে। বুধবার বিজেপি রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যের সঙ্গে তাঁর দীর্ঘ কথোপকথন এবং সেই সময়ে মহুয়া মৈত্রের উপস্থিতি একাধিক নতুন রাজনৈতিক সমীকরণের ইঙ্গিত দিচ্ছে।

বুধবার সংসদ চত্বরে বিজেপি রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও হাত মেলানোর পর প্রায় ১৭ মিনিট ধরে দীর্ঘ আলোচনা করতে দেখা যায় কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে। আর এই বৈঠককে কেন্দ্র করেই রাজ্য রাজনীতিতে শুরু হয়েছে নানা জল্পনা। এই বিষয়ে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে শমীক ভট্টাচার্য বলেন, “২৭ মিনিট কথা হলে ভালো হত। ওদিকে রোদ ছিল, তাই কথা বলা যাচ্ছিল না, না হলে আরও একটু কথা হত। রাজনীতি নিয়ে নয়, ব্যক্তিগত জীবনের তাপ-উত্তাপ নিয়ে কথা হয়েছে, সামাজিক পরিস্থিতি নিয়ে কথা হয়েছে।” এমনকি কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের লোকসভা থেকে সাসপেনশন প্রসঙ্গে শমীক কটাক্ষ করে বলেন, “লোকসভার গরিমা নষ্ট হলে ব্যবস্থা তো নেওয়া হবে। তবে একটাই কথা বলব, পারিবারিক ঝামেলা এখানে নিয়ে আসবেন না।” এই দীর্ঘ কথোপকথনের সময় সেখানে কিছুক্ষণ উপস্থিত থাকতে দেখা যায় অপর তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্রকেও।

মমতার বিরুদ্ধে কল্যাণের উষ্মা

গোটা ঘটনার সূত্রপাত গত ২১ জুলাই শহিদ দিবসের মঞ্চ থেকে। ভাষণ শেষ করার পরই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের তীব্র কথা কাটাকাটি হতে দেখা যায়। এরপর মঞ্চ ছেড়ে বেরিয়ে এসে সংবাদমাধ্যমের সামনে নিজের ক্ষোভ উগরে দিয়ে কল্যাণ বলেছিলেন, “দিদিকে ভালোবাসি, দিদিকে শ্রদ্ধা করি, দিদির জন্য সব কিছু করতে রাজি। কিন্তু দিদি যদি মনে করে, যা ইচ্ছে বলবে, তাতেই সব হবে, তা হবে না। দিদি যদি মনে করে অভিষেক আর ডেরেক যা বলবে, তা-ই হবে, তা হবে না। দিদিকে বাস্তবটা বুঝতে হবে।”

বদলাচ্ছে কি সমীকরণ?

তৃণমূলের অন্দরে যখন একে একে অনেক সাংসদই ভিন্ন পথে হাঁটছেন, সেই সময়ে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় ও মহুয়া মৈত্রকে বরাবরই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কট্টর অনুগামী বা মমতাপন্থী বলেই চেনা যায়। কিন্তু একুশের মঞ্চে দলনেত্রীর সঙ্গে মতপার্থক্যের ঠিক পরেই বিজেপি নেতার সঙ্গে কল্যাণের এই দীর্ঘ বৈঠক এবং সমসাময়িক রাজনৈতিক পরিস্থিতি একাধিক জল্পনাকে উস্কে দিয়েছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, রাজনীতিতে আকস্মিক কিছু ঘটে না, এর নেপথ্যে কোনো সুনির্দিষ্ট রাজনৈতিক অঙ্ক থাকতেও পারে। সব মিলিয়ে, এই নতুন ঘটনার জেরে ঘাসফুল শিবিরের অন্দরে অস্বস্তি যে অনেকটাই বাড়ল, তা বলাই বাহুল্য।

২৭ র নির্বাচনে যোগীর নয়া ব্রহ্মাস্ত্র কমল সাথী! এক ক্লিকেই ট্র্যাক হবে বিরোধীদের ফন্দি

‘এক বছরের মধ্যেই সরকার পড়বে!’ সাসপেন্ড হয়েই ভবিষ্যৎবাণী কল্যাণের

 

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *