চা-জলখাবারের দোকানই ভরসা, পথকুকুরদের বুকে আগলে রাখেন মিরিকের নীতু তামাং - 24 Ghanta Bangla News
Home

চা-জলখাবারের দোকানই ভরসা, পথকুকুরদের বুকে আগলে রাখেন মিরিকের নীতু তামাং

Spread the love

বার বার এমন দৃশ্য দেখে আর চুপ করে থাকতে পারেননি নীতু। তাই দোকানের আশপাশে ঘুরে বেড়ানো কুকুরগুলোর দায়িত্ব নিজের কাঁধেই তুলে নিয়েছেন তিনি। দোকানে যা রান্না হয়, সেখান থেকেই কিছু খাবার তাদের জন্য সরিয়ে রাখেন। কয়েকটি কুকুরকে নিজেই লালন-পালন করছেন। আরও কিছু কুকুর আশপাশের এসএসবি (সশস্ত্র সীমা বল) ক্যাম্পে আশ্রয় পেয়েছে।

এক নজরে

  • মিরিকের ছোট্ট চা-জলখাবারের দোকান চালিয়েই পথকুকুরদের আশ্রয় ও খাবারের ব্যবস্থা করছেন নীতু তামাং।

  • মিরিক–শিলিগুড়ি রোডে পরিত্যক্ত কুকুর ও কুকুরছানাদের নিয়মিত উদ্ধার করে তাঁদের দেখভাল করেন তিনি।

  • নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী খাবার, পরিচর্যা ও চিকিৎসার ব্যবস্থা করলেও সব কুকুরের দায়িত্ব একা নেওয়া সম্ভব নয় বলে জানিয়েছেন নীতু।

  • পথকুকুরদের পুনর্বাসন এবং যারা ইচ্ছাকৃত ভাবে কুকুর ফেলে যায়, তাঁদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন তিনি।

নীতুর কথায়, সবচেয়ে বেশি কষ্ট হয় ছোট ছোট কুকুরছানাদের দেখে। অনেকেই তাদের রাস্তায় ফেলে দিয়ে চলে যান। সেই কুকুরছানাদের অনেকেই এখন বড় হয়ে তাঁর দোকানের আশপাশেই থাকে। নীতু অনুরোধ করে আরও বলেন, ‘যদি কেউ কুকুর পালন করতে না পারেন, তা হলে তাঁদের এ ভাবে রাস্তায় ফেলে দেবেন না, ওদেরও প্রাণ আছে, ওদেরও বাঁচার অধিকার আছে।’

তাঁর মতে, বিষয়টি শুধু প্রাণীদের দুর্দশার নয়, সাধারণ মানুষের নিরাপত্তার সঙ্গেও জড়িত। এই রাস্তা দিয়ে প্রতিদিন বহু পড়ুয়া যাতায়াত করে। পাশেই রয়েছে আলে খেলার মাঠ, যেখানে নিয়মিত খেলতে আসে ছোট ছোট শিশুরা। এমন জায়গায় আক্রমণাত্মক কুকুর থাকলে দুর্ঘটনা ঘটার আশঙ্কাও থেকে যায়।

তাই প্রশাসনের কাছেও আবেদন জানিয়েছেন নীতু তামাং। তাঁর দাবি, পথকুকুরদের সঠিক পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করা হোক। পাশাপাশি যাঁরা ইচ্ছাকৃত ভাবে রাতের অন্ধকারে কুকুর এনে রাস্তায় ফেলে যান, তাঁদের বিরুদ্ধেও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *