রাজকীয় প্রত্যাবর্তন! চেন ইউফেইকে হারিয়ে জাপান ওপেনে বাজিমাত সিন্ধুর - 24 Ghanta Bangla News
Home

রাজকীয় প্রত্যাবর্তন! চেন ইউফেইকে হারিয়ে জাপান ওপেনে বাজিমাত সিন্ধুর

Spread the love

দীর্ঘ দু’বছরের ট্রফি খরা এবং ফর্মহীনতার অন্ধকার পেরিয়ে অবশেষে আলোর সরণিতে পিভি সিন্ধু (PV Sindhu)। টোকিয়ো অলিম্পিকে সোনাজয়ী চিনা তারকা চেন ইউফেইকে সেমিফাইনালে হারিয়ে জাপান…

দীর্ঘ দু’বছরের ট্রফি খরা এবং ফর্মহীনতার অন্ধকার পেরিয়ে অবশেষে আলোর সরণিতে পিভি সিন্ধু (PV Sindhu)। টোকিয়ো অলিম্পিকে সোনাজয়ী চিনা তারকা চেন ইউফেইকে সেমিফাইনালে হারিয়ে জাপান ওপেনের ফাইনালে প্রবেশ করলেন অলিম্পিকে জোড়া পদকজয়ী ভারতীয় শাটলার। তবে হাইভোল্টেজ এই ম্যাচের নিষ্পত্তি হলো কিছুটা অপ্রত্যাশিতভাবেই। প্রথম গেমে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ে জয়ের পর(২১-১৯) দ্বিতীয় গেমে যখন সিন্ধু, ১৫-১০ ব্যবধানে এগিয়ে, ঠিক তখনই হ্যামস্ট্রিংয়ের চোটের কারণে মাঝ পথেই ম্যাচ ছেড়ে দিতে বাধ্য হন বিশ্বের চার নম্বর তারকা চেন।

২০২৪ সালে লখনউয়ে সৈয়দ মোদী ইন্টারন্যাশনাল টুর্নামেন্টের পর এই প্রথম কোনও প্রতিযোগিতার ফাইনালে উঠলেন ৩১ বছর বয়সি সিন্ধু। সেই বছরই মালয়েশিয়া ওপেন সুপার ৫০০ টুর্নামেন্টে রানার্স আপ হয়েছিলেন তিনি। আর তাঁর শেষ বড় খেতাবটি এসেছিল ২০২২ সালের সিঙ্গাপুর ওপেন সুপার ৫০০ টুর্নামেন্ট থেকে। দীর্ঘ সময়ের এই খেতাব খরা মেটানোর লক্ষ্যে রবিবারের মেগা ফাইনালে জাপানের আকানে ইয়ামাগুচির মুখোমুখি হবেন ভারতীয় তারকা।

জাপান ওপেনের এই সেমিফাইনাল সিন্ধুর কাছে শুধু একটি ম্যাচ ছিল না, ছিল পরিসংখ্যান আর মনস্তাত্ত্বিক বাধা টপকানোর এক বড় চ্যালেঞ্জ। শনিবার কোর্টে নামার আগে চতুর্থ বাছাই চেনের বিরুদ্ধে হেড-টু-হেড পরিসংখ্যানে ৬-৮ ব্যবধানে পিছিয়ে ছিলেন বিশ্বের ১২ নম্বর সিন্ধু। গত চারটি সাক্ষাতেই চিনা তারকার কাছে হার মানতে হয়েছিল তাঁকে, যার মধ্যে ছিল চলতি বছরের ইন্দোনেশিয়া মাস্টার্সের স্ট্রেট গেমে পরাজয়। চেনের বিরুদ্ধে সিন্ধুর শেষ জয়টি এসেছিল সেই ২০১৯ সালের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপের সেমিফাইনালে, যে বছর প্রথম ভারতীয় শাটলার হিসেবে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হওয়ার অবিস্মরণীয় কীর্তি গড়েছিলেন তিনি।

নন্দনের বড় পর্দায় বিশ্বকাপ ফাইনাল, মুখ্যমন্ত্রীর উপস্থিতিতে বিশেষ আয়োজন

শনিবার ম্যাচের শুরু থেকেই অত্যন্ত ইতিবাচক এবং আক্রমণাত্মক মেজাজে পাওয়া যায় সিন্ধুকে। প্রথম গেমের শুরুতে ৬-৫ ব্যবধানে এগিয়ে যাওয়ার পর, বিরতির সময় ১১-৭ ব্যবধানে নিজের লিড সুসংহত করেন তিনি। এরপরই চেন তাঁর স্বভাবসিদ্ধ চ্যাম্পিয়নসুলভ লড়াইয়ে ফেরেন এবং একসময় স্কোরলাইন ১৮-১৮ করে দেন। কিন্তু প্রবল স্নায়ুর চাপের মুখেও মাথা ঠান্ডা রেখে, নিখুঁত প্লেসমেন্ট ও স্ম্যাশের বৈচিত্র্যে প্রথম গেমটি পকেটে পোরেন সিন্ধু।

দ্বিতীয় গেমেও সেই একই দাপট বজায় রাখেন ভারতীয় তারকা। তাঁর কোর্ট কভারেজ এবং গতির সামনে চেন যখন ক্রমশ কোণঠাসা হয়ে পড়ছেন এবং স্কোরবোর্ড সিন্ধুর পক্ষে ১৫-১০, তখনই হ্যামস্ট্রিংয়ের চোটে কোর্ট ছাড়তে বাধ্য হন চিনা শাটলার। দীর্ঘদিনের চোট আঘাত এবং ফর্মের ওঠানামা পেরিয়ে জাপান ওপেনের ফাইনালে ওঠা ভারতীয় ব্যাডমিন্টনের রানির জন্য নিঃসন্দেহে এক বিরাট স্বস্তির বার্তা। রবিবার তাঁর হাতে ট্রফি উঠলে তা ভারতীয় ক্রীড়ামহলের জন্য এক নিখুঁত রূপকথার প্রত্যাবর্তনের গল্প হয়েই লেখা থাকবে।

পরের স্টেশন মোহনবাগান! মাঠের গণ্ডি ছাড়িয়ে মেট্রোর মানচিত্রে শতাব্দীপ্রাচীন ক্লাব

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *