চিন-বাংলাদেশের উদ্বেগ বাড়িয়ে দিয়ে মিজোরামে নতুন সামরিক ঘাঁটি তৈরী ভারতের - 24 Ghanta Bangla News
Home

চিন-বাংলাদেশের উদ্বেগ বাড়িয়ে দিয়ে মিজোরামে নতুন সামরিক ঘাঁটি তৈরী ভারতের

Spread the love

ভারত তার পূর্বাঞ্চলীয় সীমান্তে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও মজবুত করছে। ( military base)মিজোরামে নতুন একটি সামরিক ঘাঁটি তৈরির প্রক্রিয়া চলছে। ভারতীয় সেনাবাহিনী পারভা ও সিলসুরি এই দুটি…

ভারত তার পূর্বাঞ্চলীয় সীমান্তে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও মজবুত করছে। ( military base)মিজোরামে নতুন একটি সামরিক ঘাঁটি তৈরির প্রক্রিয়া চলছে। ভারতীয় সেনাবাহিনী পারভা ও সিলসুরি এই দুটি সম্ভাব্য স্থান নিয়ে পর্যালোচনা করছে। দুটি জায়গাই ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের খুব কাছে। চট্টগ্রাম বন্দর থেকে মাত্র ৫০-৬০ কিলোমিটার দূরত্বে এই স্থানগুলো অবস্থিত।

বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলের সরু করিডরের কাছাকাছি হওয়ায় এই ঘাঁটি কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে।এই উদ্যোগ ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে সামরিক অবকাঠামো শক্তিশালী করার বৃহত্তর পরিকল্পনার অংশ। সাম্প্রতিক সময়ে সেনাবাহিনী শিলিগুড়ি করিডর বা ‘চিকেন্স নেক’-এর কাছে নতুন গ্যারিসন ঘোষণা করেছে।

আরও দেখুনঃ স্বামীকে খুন করতে কেনা হয়েছিল বিষাক্ত সাপ! অবৈধ সম্পর্কের জেরে ভয়ঙ্কর ষড়যন্ত্র স্ত্রীর

মিজোরামের প্রস্তাবিত ঘাঁটি পূর্ব সীমান্তে প্রতিরক্ষা নেটওয়ার্ককে আরও বিস্তৃত করবে। এতে চিন এবং বাংলাদেশ সীমান্তের নিরাপত্তা আরও নিশ্চিত হবে।একইসঙ্গে সরকার উত্তর-পূর্বাঞ্চলে প্রায় ৮৫টি বর্ডার আউটপোস্টকে আধুনিক, ভবিষ্যৎ-প্রস্তুত নিরাপত্তা কেন্দ্রে রূপান্তরিত করছে। এই আপগ্রেডেশনের মাধ্যমে সীমান্ত ব্যবস্থাপনা, পরিকাঠামো এবং প্রস্তুতি সবকিছুই উন্নত হবে।

সীমান্তে চোরাচালান, অনুপ্রবেশ এবং অন্যান্য হুমকি মোকাবিলায় এটি বড় ভূমিকা রাখবে।এদিকে দেশের অভ্যন্তরে অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে অভিযানও জোরদার করা হয়েছে। হরিয়ানার রেওয়াড়ি জেলায় ৭৩ জন সন্দেহভাজন বাংলাদেশি নাগরিককে চিহ্নিত করা হয়েছে। ৪৪ জনের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করা হয়েছে এবং বিএসএফ-এর তত্ত্বাবধানে পশ্চিমবঙ্গ হয়ে তাঁদের দেশে ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

এই সব উদ্যোগ একসঙ্গে দেখলে বোঝা যায়, জাতীয় নিরাপত্তা নিয়ে সরকারের দৃষ্টিভঙ্গি কতটা সক্রিয়। পূর্ব সীমান্তে সামরিক প্রস্তুতি বাড়ানোর পাশাপাশি অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ব্যবস্থাও ঢেলে সাজানো হচ্ছে। উত্তর-পূর্বাঞ্চলের ভূ-রাজনৈতিক গুরুত্ব বিবেচনায় এই পদক্ষেপগুলো সময়োপযোগী বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।মিজোরামের প্রস্তাবিত ঘাঁটি শুধু প্রতিরক্ষার দিক থেকেই নয়, আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতেও সাহায্য করবে।

আরও দেখুনঃ চিন-বাংলাদেশের উস্কানি অব্যাহত! শিলিগুড়িতে সীমান্তের কাজ খতিয়ে দেখলেন শাহ

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *