দময়ন্তীর বাবা ধ্রুবজ্যোতি সেন বলছেন, “প্রাতঃভ্রমণকারী এক মহিলা তাঁর বরকে ফোন করে আমাকে জানায় ওর কথা। আমি সঙ্গে সঙ্গে বেরিয়ে যাই। ১৫ থেকে ২০ মিনিট খোঁজার পর ওকে রামকৃষ্ণপুর ঘাটে পাওয়া যায়। আমি যখন ওকে বলি তুই কোথায় গিয়েছিলি? তখন আমাকে আমাকে জড়িয়ে ধরে।