Mosque at Airport: বিমানবন্দরের ভিতরের মসজিদে বন্ধ নামাজ পাঠ! বাংলার ১ কোটি মুসলমানদের বড় প্রতিবাদে নামার ডাক সিদ্দিকুল্লার | Prayer services suspended at the airport mosque! Siddiqullah calls on Bengal’s 10 million Muslims to join the protest
কী বলছেন সিদ্দিকুল্লা? Image Credit: Tv9 Bangla
কলকাতা: বিমানবন্দরের ভিতরে থাকা মসজিদে আপাতত নামাজ পাঠ বন্ধ। সূত্রের খবর, সোমবার পর্যন্ত এই সিদ্ধান্ত কার্যকর থাকছে। তাতেই প্রতিবাদের ডাক সিদ্দিকুল্লার। নামাজ পড়েই প্রতিবাদের ডাক প্রাক্তন গ্রন্থাগার মন্ত্রী সিদ্দিকুল্লা চৌধুরীর। শুক্রবার বিমানবন্দরের ৭ নম্বর গেটে জমায়েতের আহ্বান জানানো হয়েছে। প্রতিবাদ স্বরূপ স্থানীয় বাসিন্দারাই বিমানবন্দরের ভিতরে থাকা ওই মসজিদে নামাজ পাঠ করবেন বলে জানিয়েছেন নেতা। পাশাপাশি রাজ্যে ১ কোটি মানুষকে কালো ব্যাজ পরে নামাজে সামিল হওয়ারও আহ্বান জানানো হয়েছে।
সিদ্দিকুল্লা বলেন, “সকাল সাড়ে ১১টা নাগাদ এলাকার লোকজন ওখানে নামাজ পড়তে যাবে। আর বাংলার ১ কোটি মুসলমানদের কাছে অনুরোধ কালো ব্যাজ পরে নামাজ পড়তে যান। আল্লাহ কাছে দোয়া করে চলে আসুন। কোনও বিক্ষোভ প্রদর্শনের দরকার নেই। কোনও মাইকিং, ক্যানভাস কিছু থাকবে না।” যদিও এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক আঙিনাতেও শুরু হয়েছে চাপানউতোর।
দমদম উত্তরের বিজেপি বিধায়ক সৌরভ সিকদার আবার বলছেন, এই বাংলায় কোনও জামায়তি, শরিয়তি আইন চলবে না। এখানকার শান্তিপূর্ণ মুসলমান ভাইদের কাছে অনুরোধ কারও উস্কানিতে আইন ভাঙার কাজ করবেন না। এখানে দেশ সবার আগে। নিরাপত্তা সবার আগে। তাঁর সাফ কথা, নিরাপত্তা, দেশের প্রশ্নে কখনও ধর্ম বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে না। এরপরই সিদিকুল্লার বিরুদ্ধে সুর চড়িয়ে বলেন, ওনার মতো লোকেরা ধর্ম নিয়ে ব্যবসা করে। ওরা যা খুশি বলতে পারে। আপনারা কোনও উস্কানিতে পা দেবেন না। অন্যদিকে সিদ্দিকুল্লার বিরুদ্ধে সুর চড়িয়েছেন রাজ্যের মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পালও। তিনি বলছেন, উনি তো চিরকাল তো মুসলমানদের প্রতিশ্রুতি দিয়ে তা ভঙ্গ করেছেন।
মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী যদিও আগে স্পষ্ট বলেছিলেন জাতীয় নিরাপত্তা সবার আগে। তাঁর কথায়, “এই বিমানবন্দরের লোকেশন নিরাপত্তা খুব গুরুত্বপূর্ণ। চিন, নিরাপত্তা খুব কাছে। এটা আন্তার্জাতিক বিমানবন্দর। এখানে এইভাবে খুলে রাখা যায় না। আমরা তো ধর্ম পালনে কাউকে বাধা দিইনি। ভদ্র থাকবেন, আইন মেনে চলবেন। নিজের ধর্ম নিজে পালন করবেন। সব ঠিক চলবে। আর বন্দে মাতরমটা গাইতে হবে।”