Koel Mallick Resignation: খেপে খেপে কেন ইস্তফা দিচ্ছেন রাজ্যসভার তৃণমূল সাংসদরা? পিছনে কী কৌশল? | Actress Koel Mallick Resign from Rajya Sabha MP Post, Will more TMC MPs resign too? What is the Strategy behind MPs Resignation - 24 Ghanta Bangla News
Home

Koel Mallick Resignation: খেপে খেপে কেন ইস্তফা দিচ্ছেন রাজ্যসভার তৃণমূল সাংসদরা? পিছনে কী কৌশল? | Actress Koel Mallick Resign from Rajya Sabha MP Post, Will more TMC MPs resign too? What is the Strategy behind MPs Resignation

Spread the love

নয়া দিল্লি: তৃণমূল কংগ্রেসে (TMC) আরও ভাঙন। রাজ্যসভার সাংসদ পদ ছাড়লেন  অভিনেত্রী কোয়েল মল্লিক (Koel Mallick)। মাত্র তিন মাসেই মোহভঙ্গ হল তাঁর। গত ৬ এপ্রিল রাজ্যসভায় তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদ হিসাবে শপথ গ্রহণ করেন কোয়েল। তবে একদিনও সংসদের অধিবেশনে যোগ দেননি তিনি, তার আগেই রাজ্যের রাজনীতিতে পালাবদল হতেই নিজের রাজ্যসভার পদ ছাড়লেন কোয়েল। আজ সশরীরে গিয়ে সংসদে তিনি ইস্তফা দেন। রাজ্যসভার পদ ছাড়ার আগে কোয়েল দেখা করেছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা বিজেপির পশ্চিমবঙ্গের পর্যবেক্ষক ভূপেন্দ্র যাদবের সঙ্গে। এরপরই জল্পনা, তাহলে কি বাকি তিন রাজ্যসভার সাংসদের মতো কোয়েল মল্লিকও তৃণমূল কংগ্রেস ছেড়ে বিজেপি (BJP)-তে যাচ্ছেন?

গত জুন মাসে যখন পরপর সুখেন্দু শেখর রায়, প্রকাশ চিক বরাইক ও সুস্মিতা দেব রাজ্যসভার সাংসদ পদ থেকে ইস্তফা দেন, তখন ইমেইল মারফত কোয়েল মল্লিকও ইস্তফা দিয়েছিলেন। তবে তাঁকে জানানো হয় যে তিনি যদি ইস্তফা দিতে চান, তবে সংসদে উপ রাষ্ট্রপতির সামনে হাজির হয়ে তাঁকে জানাতে হবে যে তিনি স্বেচ্ছায় ইস্তফা দিচ্ছেন।

রাজনীতির জীবন শুরুতেই কি শেষ হয়ে গেল কোয়েলের? ছবি কিন্তু বলছে অন্য কথা। ইতিমধ্যেই কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদবের সঙ্গে কোয়েলের সাক্ষাতের ছবি সামনে এসেছে। আগে সুখেন্দু শেখর রায়ও তৃণমূলের সাংসদ পদ ছাড়ার পর ভূপেন্দ্র যাদবের সঙ্গে দেখা করেছিলেন।  সুখেন্দু শেখর, প্রকাশ চিক বরাইক, সুস্মিতা দেব এখন বিজেপির টিকিটে রাজ্যসভার প্রার্থী হিসাবে দাঁড়াচ্ছেন। একইভাবে কোয়েলও কি জার্সি বদল করবেন?

বিজেপির অঙ্ক-

কোয়েলের ইস্তফার সঙ্গে আরও একটি প্রশ্ন উঠে আসছে, শুধুই কি কোয়েল? নাকি আরও দুই-তিনজন সাংসদ আছে লিস্টে? কারণ এর বেশি সাংসদ কখনওই পদত্যাগ করবেন না। পাঁচজনের বেশি সাংসদ যদি ইস্তফা দেন, তাহলে ২৯৪ আসনের নিরিখে সংখ্যার প্রতিনিধিত্বের হিসাব ওলট-পালট হয়ে যাবে।

যদি ইস্তফা দিতেই হয়, তাহলে একসঙ্গে কেন সব সাংসদরা ইস্তফা দিচ্ছেন না?  রাজ্যসভার নির্বাচনের নিয়ম  অনুযায়ী, প্রতিটি রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিত্বের সংখ্যার হিসাবে কোন দল কতগুলি সদস্য সংখ্যা পাবে, তা নির্ধারিত হয়। যদি পাঁচজন সাংসদ একসঙ্গে ইস্তফা দেন, তাহলে চারটি আসন বিজেপি পেলেও, একটি আসন তৃণমূলের কাছে যাবে কারণ তাদের হাতেও ৮০ জন বিধায়ক আছে। সেই আসন মমতা পন্থী তৃণমূল নেবে নাকি ঋতব্রত পন্থী তৃণমূল, তা অন্য রাজনৈতিক প্রশ্ন, কিন্তু রাজ্যের বিরোধীদের হাতে যাতে একটিও আসন না যায়, তার জন্যই এই স্ট্রাটেজি। নিশ্চিত করা হচ্ছে যে একসঙ্গে যেন তিন বা চারজনের বেশি সাংসদ একসঙ্গে ইস্তফা না দেন। কোয়েলের পদত্যাগের পর আর কেউ পদত্যাগ করেন কি না, তার দিকেই নজর থাকবে। যদি কোয়েলের পর আরও কোনও তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদ ইস্তফা দেন, তাহলে আবার নতুন করে রাজ্যসভার নির্বাচনের দিন ঘোষণা করা হবে। আগামী ২৪ জুলাই রাজ্যসভার উপ-নির্বাচন রয়েছে। তৃণমূল কংগ্রেসের যে তিন জন সাংসদ ইস্তফা দিয়েছিলেন, সেই শূন্যপদেই উপ-নির্বাচন হবে। তৃণমূলের ইস্তফা দেওয়া তিন সাংসদ- সুখেন্দু শেখর রায়, প্রকাশ চিক বরাইক, সুস্মিতা দেব এখন বিজেপির টিকিটে প্রার্থী হয়েছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *