FIFA World Cup Final 2026: ফুটবল না বিনোদন? বিশ্বকাপ ফাইনালে ৩০ মিনিটের হাফটাইম শো ঘিরে প্রশ্নের মুখে ফিফা! | FIFA Breaks Tradition with First Ever World Cup Final Halftime Concert
শাকিরা, বিটিএস ও ম্যাডোনাImage Credit: Getty Images
নিউ জার্সি : আগামী রবিবার বিশ্বকাপের (FIFA World Cup 2026) ফাইনালে নামছে স্পেন ও আর্জেন্টিনা (Spain vs Argentina)। সেই ম্যাচেই প্রথমবারের মতো হাফটাইম শো আয়োজন করতে চলেছে ফিফা (FIFA)। এর ফলে, বিরতির সময় ১৫ মিনিট থেকে বেড়ে হবে ৩০ মিনিট। প্রায় ১১ মিনিট ধরে চলবে সংগীতানুষ্ঠান। সেখানে পারফর্ম করবেন ম্যাডোনা, শাকিরা, বিটিএস, জাস্টিন বিবার, বার্না বয়, গুস্তাভো দুদামেল ও পিএস২২ কোরাস। পুরো অনুষ্ঠানের পরিকল্পনায় রয়েছেন কোল্ডপ্লে ব্যান্ডের ক্রিস মার্টিন।
ফিফার দাবি, এই অনুষ্ঠান FIFA Global Citizen Education Fund-এর প্রচারের উদ্দেশ্যে আয়োজন করা হচ্ছে। মঞ্চ তৈরী, শিল্পীদের পারফরম্যান্স ও অনুষ্ঠানের শেষে মঞ্চ সরিয়ে আবার মাঠ প্রস্তুত করতেই এই অতিরিক্ত সময় প্রয়োজন হবে।
কেন বিতর্ক এই অনুষ্ঠান ঘিরে?
IFAB (International Football Association Board)- এর Law 7 অনুযায়ী, একটি ফুটবল ম্যাচে হাফটাইমের সর্বোচ্চ সময় ১৫ মিনিট। তবে বিভিন্ন প্রতিযোগিতা অনুযায়ী আয়োজক সংস্থা বিরতির সময় বাড়াতে বা কমাতে পারে। বিশ্বকাপ ফাইনালেও সেই নিয়মেই সময় বাড়ছে।
তবে এই সিদ্ধান্ত নিয়েই প্রশ্ন উঠছে। দীর্ঘ বিরতির ফলে ম্যাচের ছন্দ যেমন নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা আছে, তেমনই খেলোয়াড়দের শরীর ঠান্ডা হয়েও যেতে পারে। ফলে, দ্বিতীয়ার্ধের আগে তাদের আবার ওয়ার্ম-আপ করতে হতে পারে। অতীতেও এই সংস্থা এমন দীর্ঘ বিরতির প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা করার সময় খেলোয়াড়দের দিকটাও ভাবার প্রস্তাব দিয়েছিল। অনেকের মতে, ফুটবলের ঐতিহ্যের চেয়ে বিনোদন ও পয়সাকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে ফিফা। ম্যাচ শুরু হওয়ার আগেই যখন একটা জাঁকজমকপূর্ণ ক্লোসিং সেরেমনি হবেই, তাহলে আবার আলাদা করে এত বড় অনুষ্ঠানের প্রয়োজন কী?
অতীতের পুনরাবৃত্তি:
ফিফা এর আগেও ২০২৫ ফিফা ক্লাব বিশ্বকাপের ফাইনালের হাফটাইমে পরীক্ষামূলক বিনোদন শো রেখেছিল। সেই ম্যাচে কনসার্টের কারণে হাফটাইম ২৪ মিনিট স্থায়ী করা হয়েছিল। এবার ২০২৬ বিশ্বকাপের ফাইনালে এই নিউ জার্সি স্টেডিয়ামে হবে হাফটাইম শো, যা আয়োজনের দিক থেকেও একটা বড় চ্যালেঞ্জ। বিশ্বমানের ফুটবল তারকাদের সঙ্গে আন্তর্জাতিক পারফর্মারদের এক মঞ্চে এনে বিশ্বকাপ ফাইনালকে আরও বড় একটা অনুষ্ঠানে পরিণত করাই ফিফার লক্ষ্য। তবে এর মধ্যেও রয়েছে চিন্তা, যা জন্ম দিয়েছে একাধিক বিতর্কের।