এবার লাদাখকে স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চলে পরিণত করার নতুন ভাবনা শাহের! - 24 Ghanta Bangla News
Home

এবার লাদাখকে স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চলে পরিণত করার নতুন ভাবনা শাহের!

Spread the love

লেহ: লাদাখ অঞ্চলে স্বায়ত্তশাসনের দাবি নতুন করে জোরালো হয়ে উঠেছে। (Ladakh)কেন্দ্রীয় সরকার এই অঞ্চলের জন্য বিশেষ অনুচ্ছেদ ৩৭১-এর আওতায় একটি কাস্টমাইজড ফ্রেমওয়ার্ক তৈরি করছে। এর…

লেহ: লাদাখ অঞ্চলে স্বায়ত্তশাসনের দাবি নতুন করে জোরালো হয়ে উঠেছে। (Ladakh)কেন্দ্রীয় সরকার এই অঞ্চলের জন্য বিশেষ অনুচ্ছেদ ৩৭১-এর আওতায় একটি কাস্টমাইজড ফ্রেমওয়ার্ক তৈরি করছে। এর অধীনে লাদাখের সাতটি জেলাকেই স্বায়ত্তশাসিত পার্বত্য উন্নয়ন পরিষদ (অটোনমাস হিল ডেভেলপমেন্ট কাউন্সিল) গঠনের পরিকল্পনা চলছে।

এই পরিষদগুলোকে জমি, নিয়োগ এবং রাজস্বের উপর উল্লেখযোগ্য ক্ষমতা দেওয়া হবে।লাদাখের জনপ্রতিনিধি ও স্থানীয় নেতাদের সঙ্গে দীর্ঘ আলোচনার পর কেন্দ্র এই উদ্যোগ নিয়েছে। ২০১৯ সালে জম্মু-কাশ্মীরের পুনর্গঠনের পর লাদাখকে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল করা হয়। কিন্তু সেখানকার মানুষ দীর্ঘদিন ধরে আলাদা প্রশাসনিক কাঠামো ও স্বায়ত্তশাসনের দাবি জানিয়ে আসছেন।

আরও দেখুনঃ ৭৪ বছরের বৃদ্ধ পুরোহিতকে নৃশংস হামলা! কুরুক্ষেত্রে বুলডোজারে মাটিতে মিশল দরগা সেবকের বাড়ি

বরফাবৃত পার্বত্য অঞ্চল হওয়ায় লাদাখের সাংস্কৃতিক, ভৌগোলিক ও পরিবেশগত বৈশিষ্ট্য অন্যান্য অঞ্চল থেকে আলাদা। স্থানীয়রা চান, তাদের নিজস্ব জমি, সম্পদ ও সংস্কৃতি যেন সুরক্ষিত থাকে।প্রস্তাবিত ফ্রেমওয়ার্ক অনুসারে লাদাখের সাতটি জেলা যেমন লেহ, কার্গিল, জাঙ্সকার, নুব্রা, শিয়োক, রূপসো ও জাঙ্গল প্রত্যেকটিতে আলাদা আলাদা অটোনমাস হিল ডেভেলপমেন্ট কাউন্সিল গঠিত হবে।

এই কাউন্সিলগুলোকে জমির ব্যবস্থাপনা, স্থানীয় নিয়োগ, রাজস্ব সংগ্রহ ও ব্যয়, শিক্ষা, স্বাস্থ্য এবং স্থানীয় উন্নয়ন প্রকল্পের উপর বাস্তব ক্ষমতা দেওয়া হবে। এতে স্থানীয় মানুষের অংশগ্রহণ বাড়বে এবং উন্নয়ন প্রক্রিয়া আরও ত্বরান্বিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।লাদাখের নেতারা এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন। তাঁরা বলছেন, এই ব্যবস্থা লাদাখের অনন্য পরিচয় ও আকাঙ্ক্ষাকে সম্মান করবে।

আরও দেখুনঃ জুম্মার নামাজ পড়া যাবেইনা ভোজশালায়! কড়া নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের

একজন স্থানীয় নেতা বলেন, “আমরা কেন্দ্রের কাছে স্বায়ত্তশাসন চেয়েছি। এখন যে ফ্রেমওয়ার্ক তৈরি হচ্ছে, তা আমাদের আশা পূরণ করবে। জমির উপর নিয়ন্ত্রণ না থাকলে আমাদের সংস্কৃতি ও জীবিকা রক্ষা করা কঠিন হয়ে পড়ে।”তবে কিছু বিশেষজ্ঞ মনে করেন, এই ব্যবস্থা বাস্তবায়নে সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।

লাদাখের মতো সীমান্তবর্তী অঞ্চলে জমি ও নিরাপত্তার বিষয়টি অত্যন্ত সংবেদনশীল। চিনের সঙ্গে সীমান্ত বিরোধের কারণে এই অঞ্চলের উন্নয়ন ও স্থিতিশীলতা দেশের জন্য অত্যন্ত জরুরি। স্বায়ত্তশাসনের ফ্রেমওয়ার্কে স্থানীয় মানুষের আকাঙ্ক্ষা পূরণের পাশাপাশি জাতীয় স্বার্থও রক্ষা করা হবে বলে কেন্দ্র আশ্বাস দিয়েছে।

আরও দেখুনঃ বাংলা বর্ডার দিয়ে বাংলাদেশি ঢুকিয়ে কর্নাটকে চাকরি! পুলিশের জালে ময়দিন-রসুল

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *