Voter Form Update: নতুন ভোটারদের জন্য বড় বদল! ফর্ম-৬-এ এবার দিতে হবে বাবা-মায়ের SIR-র তথ্যও? | EC Form 6 Updated: New Voter Applicants reportedly need to Declare Parents’ SIR Status During Online Registration
নয়া দিল্লি: আপনি কি নতুন ভোটার? বা ভোটার তালিকায় নতুন নাম তুলবেন? তাহলে আপনাদের জন্য বড় খবর। নতুন ভোটারদের জন্য অনলাইন আবেদন প্রক্রিয়ায় বড় পরিবর্তন আনল নির্বাচন কমিশন। নতুন ভোটারদের জন্য নির্দিষ্ট ফর্ম-৬-এর (Voter Form-6) অনলাইন সংস্করণে যুক্ত করা হয়েছে একটি নতুন অংশ। যাঁরা নতুন ভোটার হিসেবে আবেদন জানাবেন, তাঁদের বাবা-মায়ের নাম শেষ এসআইআর-এ (SIR) ছিল না, তা জানাতে হবে। তবে, মূল ফর্মে (SIR on Form 6) এখনও এই সংক্রান্ত কোনও পরিবর্তন আনা হয়নি। ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের একটি প্রতিবেদনে এমনটাই দাবি করা হয়েছে।
ফর্ম-৬-এ ঠিক কী কী চাওয়া হচ্ছে?
ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের রিপোর্ট অনুযায়ী, শনিবার নির্বাচন কমিশনের ECINET পোর্টালে দেখা যায়, অনলাইন ফর্ম-৬-এর জে এবং কে অংশের মাঝখানে কোনও অক্ষর ছাড়াই একটি নতুন ডিক্লারেয়শন ফর্ম যোগ করা হয়েছে। সেখানে আবেদনকারীকে জানাতে হচ্ছে যে শেষ SIR-এ তাঁর বাবা-মায়ের নাম ছিল কি না, বা কী অবস্থান। সেই সংক্রান্ত তথ্য দিতে বলা হচ্ছে। কিন্তু একই পোর্টাল থেকে ডাউনলোড করা অফলাইন ফর্ম-৬-এ এই নতুন অংশটি নেই। যদিও এই অংশটিকে বাধ্যতামূলক বলা হয়নি। তবুও এটি পূরণ না করলে আবেদনকারী পরবর্তী ধাপে যেতে পারছেন না বলে অভিযোগ উঠেছে। তবে, এই বিষয়ে এখনও পর্যন্ত নির্বাচন কমিশনের তরফে কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি।
ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের রিপোর্ট অনুযায়ী, নতুন অংশে আবেদনকারীকে তিনটি বিকল্পের মধ্যে একটি বেছে নিতে বলা হচ্ছে।
আবেদনকারীর নাম শেষ SIR-এর ভোটার তালিকায় রয়েছে।
আবেদনকারীর বাবা, মা, দাদু বা ঠাকুমার নাম শেষ SIR-এর ভোটার তালিকায় রয়েছে।
আবেদনকারী বা তাঁর বাবা-মায়ের কারও নামই শেষ SIR-এর ভোটার তালিকায় নেই।
প্রথম বা দ্বিতীয় বিকল্প বেছে নিলে আবেদনকারীকে সংশ্লিষ্ট বিধানসভা কেন্দ্রের নাম, বুথ নম্বর এবং ভোটার তালিকার ক্রমিক নম্বর জানাতে হবে। যদি এই তথ্য জানা না থাকে, তাহলে তৃতীয় বিকল্পটি বেছে নেওয়া ছাড়া উপায় নেই। তবে সেই ক্ষেত্রে আবেদনপত্রের কী হবে, সে বিষয়ে পোর্টালে কোনও তথ্য দেওয়া হয়নি।
আইন কী বলছে?
তবে, ১৯৫০ সালের জনপ্রতিনিধিত্ব আইনের ধারা ২৮-এ বলা হয়েছে, ভোটার তালিকায় নাম তোলা বা এই বিষয় নিয়ম তৈরি বা নীতি সংশোধনের ক্ষমতা থাকে কেন্দ্রীয় সরকারের হাতে। আরও বলা হয়েছে নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে পরামর্শ করে কেন্দ্রীয় সরকার সরকারি গেজেট বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই আইন কার্যকর করার জন্য প্রয়োজনীয় নিয়ম প্রণয়ন করতে পারে।
নির্বাচন কমিশনের দুই প্রাক্তন শীর্ষ আধিকারিক (নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক) ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসকে জানিয়েছেন, ফর্ম-৬-এ কোনও পরিবর্তন আনতে হলে অন্তত আইন মন্ত্রকের সংশোধনী ও সরকারি বিজ্ঞপ্তি প্রয়োজন। নির্বাচন কমিশন একতরফাভাবে এই ফর্ম পরিবর্তন করতে পারে না। এক প্রাক্তন আধিকারিকের কথায়, “নির্বাচন কমিশন নিজের থেকে ফর্মে একটি কমাও যোগ করতে পারে না।” ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের তরফে এই বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের প্রতিক্রিয়া জানতে চাওয়া হলেও তারা কোনও মন্তব্য করেনি।