কালীঘাট’ নিয়ে অভিযোগ, কমিশনের কাছে শুক্রবার যাচ্ছে ঋতব্রতদের দল - 24 Ghanta Bangla News
Home

কালীঘাট’ নিয়ে অভিযোগ, কমিশনের কাছে শুক্রবার যাচ্ছে ঋতব্রতদের দল

Spread the love

তৃণমূল কংগ্রেসের (TMC) সাংগঠনিক পরিচয় এবং দলের প্রকৃত প্রতিনিধিত্ব কার হাতে থাকবে, তা নিয়ে চলা বিতর্ক এখন পৌঁছেছে নির্বাচন কমিশনের দরজায়। আগামীকাল, ১০ জুলাই জাতীয়…

তৃণমূল কংগ্রেসের (TMC) সাংগঠনিক পরিচয় এবং দলের প্রকৃত প্রতিনিধিত্ব কার হাতে থাকবে, তা নিয়ে চলা বিতর্ক এখন পৌঁছেছে নির্বাচন কমিশনের দরজায়। আগামীকাল, ১০ জুলাই জাতীয় নির্বাচন কমিশনের কাছে প্রয়োজনীয় নথি জমা দিতে চলেছে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়-পন্থী তৃণমূল কংগ্রেস। দলের সাংগঠনিক অধিকার এবং নিজেদের আসল তৃণমূল হিসেবে দাবি প্রতিষ্ঠা করতে একাধিক নথি ও যুক্তি কমিশনের সামনে পেশ করা হবে বলে জানা গিয়েছে।

এর আগে ৬ জুলাই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-পন্থী তৃণমূল কংগ্রেস নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ মেনে তাদের নথিপত্র জমা দিয়েছে। এবার ঋতব্রতপন্থী শিবিরের বক্তব্য শোনার পর নির্বাচন কমিশন দুই পক্ষের জমা দেওয়া তথ্য, দলের সাংগঠনিক কাঠামো এবং আইনি অবস্থান খতিয়ে দেখবে। এরপরই কমিশন সিদ্ধান্ত নেবে কোন পক্ষের দাবি গ্রহণযোগ্য।

নির্বাচন কমিশন তৃণমূল কংগ্রেসের দুই গোষ্ঠীকেই নিজেদের দাবির সমর্থনে প্রয়োজনীয় নথি জমা দেওয়ার জন্য সময়সীমা বেঁধে দিয়েছিল। সেই নির্দেশ অনুযায়ী, গত সোমবার মমতা-পন্থী তৃণমূল কংগ্রেস নির্ধারিত সময়ের আগেই সমস্ত নথি জমা করে। দলের পক্ষ থেকে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল কমিশনের কাছে উপস্থিত হয়ে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দেয়।

মমতা-পন্থী শিবির তাদের দাবির পক্ষে দলের সংবিধান এবং সাংগঠনিক নির্বাচনের ইতিহাস তুলে ধরেছে। তাদের বক্তব্য, তৃণমূল কংগ্রেস প্রতিষ্ঠার পর প্রথমদিকে তিন বছর অন্তর এবং পরে চার বছর অন্তর সাংগঠনিক নির্বাচন করার নিয়ম ছিল। পরবর্তীতে ২০০৬ সালে দলের সংবিধানে সংশোধন এনে পাঁচ বছর অন্তর সাংগঠনিক নির্বাচন করার বিধান চালু করা হয়।

তাদের দাবি অনুযায়ী, ২০২২ সালে দলের সর্বশেষ সাংগঠনিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সেই হিসাব অনুযায়ী বর্তমান কমিটির মেয়াদ ২০২৭ সাল পর্যন্ত বহাল রয়েছে। তাই বর্তমানে নেতৃত্ব বা সাংগঠনিক বৈধতা নিয়ে কোনও প্রশ্ন ওঠার সুযোগ নেই বলেই মমতা-পন্থী তৃণমূলের বক্তব্য।

অন্যদিকে, ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়-পন্থী তৃণমূলের দাবি, দলের সাংগঠনিক নিয়ম এবং মেয়াদ নিয়ে তাদের আলাদা ব্যাখ্যা রয়েছে। তাঁরা মনে করছেন, সংগঠনের নির্দিষ্ট মেয়াদ সংক্রান্ত বিষয়টি নতুন করে পর্যালোচনার প্রয়োজন রয়েছে। নিজেদের দাবির স্বপক্ষে প্রয়োজনীয় নথি ও যুক্তি কমিশনের সামনে তুলে ধরাই তাদের মূল লক্ষ্য

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *