State Hospitals in West Bengal: ‘স্কুলের হেডমাস্টার খুব কড়া’, ৩০ তারিখের মধ্যেই বদলে যাবে রাজ্যের হাসপাতালের বেহাল ছবি? | School headmaster is very strict, will the picture of mismanagement in state hospitals change by the 30th
কী বলছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী?Image Credit: TV 9 Bangla
বারাসত: রাজ্যে স্বাস্থ্যের অসুখ সারাতে তৎপর রাজ্যের নতুন সরকার। হাসপাতালে দালালরাজ নির্মূল করতে কোমর বেঁধে মাঠে নেমেছে সরকার। রাজ্যের হাসপাতালগুলিতে যে স্বাস্থ্যভবন থেকে নজরদারি চলবে তা স্পষ্ট করে জানিয়ে দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তৈরি হচ্ছে কন্ট্রোল রুম। সাতসকালে স্বাস্থ্যভবনে সারপ্রাইজ ভিজিট করে গোটা কাজ সরেজমিনে দেখেন শুভেন্দু। পাশাপাশি মহকুমা হাসপাতালেও নজরদারি শুরু করতে ৩০ জুলাইয়ের ডেডলাইন বেঁধে দিয়েছেন তিনি। স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায়ের সাফ কথা, একটা হাসপাতালে রোগী, রোগীর বাড়ির লোক, স্বাস্থ্য পরিষেবার জন্য ডাক্তার, নার্স, সাফাই কর্মী, গ্রুপ ডি স্টাফ ছাড়া যারা আছেন তারাই দালাল ছাড়া কিছু নয়। নজরদারি এখান থেকে হবে। আমাদের স্কুলের হেডমাস্টার খুব কড়া। উনি বলে দিয়েছেন ৩০ তারিখের কথা। তারমধ্যেই করে ফেলার চেষ্টা হবে।
কড়া বার্তা স্বাস্থ্যমন্ত্রীর
শুধু এখানেই শেষ নয়, এরপরর গ্রামীণ হাসপাতাল, মহকুমা, জেলা সব হাসপাতালের সব ওয়ার্ড সিসিটিভি নজরদারিতে আসবে। এরমধ্যে বেসরকারি হাসপাতালও থাকছে বলে জানিয়েছেন মন্ত্রী। অন্যদিকে এদিনই বারাসতে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সারপ্রাইজ ভিজিটেই দেখা গেল একের পর এক কড়া পদক্ষেপ। শোকজের মুখে বারাসত মেডিকেল কলেজের ওয়ার্ড মাস্টার-সহ বেশ কয়েকজন। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে শোকজের নির্দেশ দিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায়। সূত্রের খবর, বারাসত মেডিক্যালের সামগ্রিক পরিকাঠামো নিয়ে রীতিমতো ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।
অভিযোগ, যিনি বারাসতে যিনি ওয়ার্ড মাস্টার রয়েছেন তিনি তাঁর ভূমিকা সঠিকভাবে পালন করছিলেন না। এদিকে হাসপাতালের অভ্যন্তরীণ ক্ষেত্রে এই ওয়ার্ড মাস্টারের রীতিমতো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা থাকে। কিন্তু কেন সে ক্ষেত্রে গাফিলতি? উত্তর খুঁজছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।
ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন অপরিচ্ছন্ন পরিবেশ নিয়ে। যত্রতত্র বিড়ালের ঘোরাঘুরি, ওষুধের তাকে জমে থাকা ধূলো, ছাদের বেহাল দশা, সবটা নিয়েই রীতিমতো উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন তিনি। একইসঙ্গে এদিন হাসপাতালের ছাদে উঠতে গিয়ে প্রায় ২০ মিনিট দাঁড়িয়ে থাকতে হয় স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে। কারণ, চাবিই নাকি পাওয়া যাচ্ছিল না। খানিক উদ্বেগের সঙ্গেই সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মন্ত্রী বলেন, “স্বচ্ছতা, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার অভাব রয়েছে। বেডের অভাব রয়েছে। বাথরুমের অবস্থা শোচনীয়। সবটাই দেখেছি।”
তবে সারপ্রাইজ ভিজিট যে চলতে থাকবে তাও জানিয়েছেন স্বাস্থ্য মন্ত্রী। তিনি বলছেন, “আচমকা ভিজিটের অনেক প্ল্যান আছে। সব হাসপাতাল ভাববে আজ আসবে। কিন্তু আমাদের কোনও প্ল্যান ভিজিট থাকবে না। সবই আচমকা হবে। আমি বলে এলে তো সব ঝাঁ চকচকে থাকবে।”