ECI-TMC Split: তৃণমূল তুমি কার? ডেডলাইন শেষ সোমবার বিকেল সাড়ে ৫টায়! তারপর কী হবে? | Who Is Real TMC? ECI Asks Both Party to Submit Documents, What Will be Final Verdict?
নয়া দিল্লি: আর মাত্র একদিন। তারপরই জাতীয় নির্বাচন কমিশনে শুরু হবে তৃণমূলের (TMC) ভাগ্যপরীক্ষার প্রক্রিয়া। কে ‘আসল তৃণমূল’, তা নিয়ে মমতা-পন্থী ও ঋতব্রত-পন্থী তৃণমূলের লড়াই শুরু হয়েছে। দুই পক্ষই জাতীয় নির্বাচন কমিশনের (Election Commission of India) দ্বারস্থ হয়েছে। দুই পক্ষকেই নিজের দাবি প্রমাণ করার জন্য নিজের সুনির্দিষ্ট মতামত লিখিত আকারে এবং প্রয়োজনীয় সমস্ত নথি জমা করতে বলেছে কমিশন। জাতীয় নির্বাচন কমিশনে নথি জমা দেওয়ার সময়সীমা শেষ হচ্ছে আগামীকাল, ৬ জুলাই বিকেল সাড়ে পাঁচটায়। তারপর কী হবে?
মমতা-পন্থী তৃণমূলের তরফে খবর, শুধুমাত্র প্রয়োজনীয় নথিপত্র নির্বাচন কমিশনে পাঠিয়ে দেবেন তারা। আলাদা করে যাবে না কোনোও প্রতিনিধি দল। অন্যদিকে ঋতব্রত-পন্থী তৃণমূল নথিপত্র নিয়ে নিজেরা কমিশনে যাবেন কি না, তা এখনও জানা যায়নি। তারা ইতিমধ্যেই বিধানসভায় দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতার নথি জমা দিয়ে নতুন কমিটি গড়ার কথা জানিয়েছে।
এদিকে, দুই পক্ষই আইনজীবীদের সঙ্গে আলোচনা শুরু করে দিয়েছে। নির্বাচন কমিশন দুই পক্ষকেই হিয়ারিংয়ে ডাকবে এই জমা দেওয়া নথি পর্যালোচনা করার পর। সেই সময় দুই শিবিরই চাইলে নিজেদের সঙ্গে আইনজীবীদের নিয়ে যেতে পারে।
অন্যদিকে সূত্রের খবর, আগামী ২০ জুলাই, সংসদের বাদল অধিবেশন শুরুর দিনই তৃণমূলের ২০ জন বিদ্রোহী সাংসদ এবং উদ্ধব ঠাকরের শিবসেনার ৬ জন সাংসদের দলত্যাগ করে এনডিএ-তে যোগদানের বিষয় নিজের সিদ্ধান্ত জানাবেন লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা। তাঁর সিদ্ধান্তের উপরেই ভাগ্য নির্ভর করছে দল ভেঙে বেরিয়ে আসা সাংসদদের।
কাকলি ঘোষ দস্তিদারের নেতৃত্বে তৃণমূলের দলত্যাগী সাংসদরা আগেই দিল্লিতে গিয়ে লোকসভার স্পিকারের সঙ্গে দেখা করেছিলেন। এরপর, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ডেকেও তাঁর বক্তব্যও শুনেছেন স্পিকার। শেষ পর্যন্ত তিনি কী সিদ্ধান্ত নেন, তার দিকেই তাকিয়ে সবাই।