হাওড়ায় হুলস্থুল!২৪ ঘণ্টা ধরে অ্যাকোরিয়ামে জলে ডুবে বসে যুবক - 24 Ghanta Bangla News
Home

হাওড়ায় হুলস্থুল!২৪ ঘণ্টা ধরে অ্যাকোরিয়ামে জলে ডুবে বসে যুবক

Spread the love

হাওড়ার রামকৃষ্ণপুর (Howrah) ঘাটে এক অদ্ভুত ও চাঞ্চল্যকর দৃশ্যকে ঘিরে শনিবার দিনভর উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এলাকায়। বিশাল কাচের অ্যাকোরিয়াম, কানায় কানায় জল ভরা, আর সেই…

হাওড়ার রামকৃষ্ণপুর (Howrah) ঘাটে এক অদ্ভুত ও চাঞ্চল্যকর দৃশ্যকে ঘিরে শনিবার দিনভর উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এলাকায়। বিশাল কাচের অ্যাকোরিয়াম, কানায় কানায় জল ভরা, আর সেই জলের ভেতরে সম্পূর্ণ শরীর ডুবিয়ে বসে রয়েছেন এক যুবক—এই দৃশ্য দেখেই থমকে যাচ্ছেন পথচলতি মানুষজন। মুহূর্তের মধ্যে এলাকায় ভিড় জমে যায়, কৌতূহল ও উদ্বেগে সরগরম হয়ে ওঠে গোটা ঘাট এলাকা।

ওই যুবকের নাম মুকেশ গুপ্তা। (Howrah) শুক্রবার দুপুর আনুমানিক ১২টা ৫০ মিনিট নাগাদ তিনি একটি বিশেষ প্রস্তুতির অংশ হিসেবে জলভর্তি অ্যাকোরিয়ামের ভেতরে প্রবেশ করেন। জানা গিয়েছে, শ্বাসপ্রশ্বাসের জন্য তিনি একটি বাঁশের নল ব্যবহার করছেন, যা মুখে লাগানো রয়েছে। সেই নলের মাধ্যমে অক্সিজেন গ্রহণ করেই তিনি দীর্ঘ সময় ধরে জলের নিচে অবস্থান করছেন। স্থানীয়দের দাবি, মুকেশ মূলত একজন প্রশিক্ষিত সাঁতারু। জাতীয় স্তরের বিভিন্ন সাঁতার প্রতিযোগিতায় তিনি পুরস্কারও অর্জন করেছেন।

পরিবারের (Howrah) পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, একটি নির্দিষ্ট রেকর্ড গড়ার লক্ষ্যেই এই দীর্ঘ সময় জলের নিচে থাকার চ্যালেঞ্জ নিয়েছেন মুকেশ। তাঁর লক্ষ্য প্রায় ৩০ ঘণ্টা অবিরাম জলে অবস্থান করা। এই সাহসিকতাপূর্ণ প্রচেষ্টাকে ঘিরে পরিবারের সদস্যরাও উপস্থিত রয়েছেন ঘটনাস্থলে। বিশেষ করে তাঁর মা প্রতিনিয়ত অ্যাকোরিয়ামের পাশে দাঁড়িয়ে ছেলেকে সাহস ও ভরসা জুগিয়ে চলেছেন। সন্তানের এই ‘রুদ্ধশ্বাস অভিযানে’ তাঁর উপস্থিতি অনেককে আবেগপ্রবণও করেছে।

ঘটনাস্থলে(Howrah) উপস্থিত প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শুরুতে বিষয়টি কৌতূহল হিসেবে দেখলেও সময় যত গড়িয়েছে, ততই উদ্বেগ বাড়তে শুরু করেছে। কারণ দীর্ঘ সময় জলভর্তি পরিবেশে অবস্থানের ফলে শরীরে নানা ধরনের পরিবর্তন দেখা দিচ্ছে। জানা যাচ্ছে, প্রায় ২৪ ঘণ্টা অতিক্রান্ত হওয়ার পর মুকেশের শরীরের কিছু অংশে সাদা ভাব দেখা দিতে শুরু করেছে। যদিও তিনি এখনও নির্ধারিত সময় পর্যন্ত লক্ষ্য পূরণে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ বলে জানা গিয়েছে।

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *