পেমেন্ট নেওয়ার পরেও কেন কাজ বাকি, ক্ষুব্ধ বিস্তার তিরে ঠিকাদাররা
সাংসদের দাবি, কেন্দ্রীয় সরকারের প্রকল্পে জনস্বাস্থ্য কারিগরি দপ্তরকে প্রতিটি ঘরে পানীয় জল পৌঁছে দেওয়ার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। দপ্তরের দাবি অনুযায়ী, দার্জিলিং জেলার পাহাড়ি এলাকায় এখনও পর্যন্ত প্রায় ৫০ শতাংশ এবং সমতলে প্রায় ৭০ শতাংশ কাজ হয়েছে। রাজুর বক্তব্য, ‘এই অগ্রগতি মূলত খাতায়-কলমে। বাস্তবে তার সঙ্গে মিল নেই। আগামী দু’মাসের মধ্যে সরেজমিনে তদন্ত করে পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে।’ তিনি বলেন, ‘এই বিষয়টির সঙ্গে পূর্ত দপ্তর-সহ অন্যান্য একাধিক দপ্তর জড়িত রয়েছে। এ সব দপ্তরের কর্মী ও আধিকারিকরা প্রতিটি বাড়িতে গিয়ে তদন্ত করে রিপোর্ট জমা দেবেন। যাঁরা কাজ সম্পূর্ণ করেছেন, তাঁরাই বিলের টাকা পাবেন। যাঁরা কাজ শেষ করেননি, তাঁদের কোনও টাকা দেওয়া হবে না।’ প্রধানমন্ত্রী গ্রাম সড়ক যোজনার কাজ নিয়েও অসন্তোষ জানান সাংসদ। তিনি পূর্ত দপ্তর এবং তাদের একাংশের ঠিকাদারকে নিশানা করেন। তিনি জানান, দার্জিলিং জেলায় নতুন ৫০-৬০টি রাস্তা তৈরি হবে। এই প্রকল্পগুলির বরাত দেওয়ার ক্ষেত্রেও ঠিকাদারি সংস্থাগুলির ভূমিকা খতিয়ে দেখা হতে পারে।