‘সফল মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে বাংলায় বিধান চন্দ্র রায়ের পরই শুভেন্দু!’ দাবি তথাগতর
কলকাতা: বাংলায় এখনও পর্যন্ত ৯ জন মুখ্যমন্ত্রী হয়েছেন। (Tathagata Roy)তাদের মধ্যেই এবার সফলতার নিরিখে তুলনা টানলেন বর্ষীয়ান বিজেপি নেতা তথাগত রায়। তিনি তার সমাজ মাধ্যমের…
কলকাতা: বাংলায় এখনও পর্যন্ত ৯ জন মুখ্যমন্ত্রী হয়েছেন। (Tathagata Roy)তাদের মধ্যেই এবার সফলতার নিরিখে তুলনা টানলেন বর্ষীয়ান বিজেপি নেতা তথাগত রায়। তিনি তার সমাজ মাধ্যমের পোস্টে স্পষ্ট বলেছেন ডাক্তার বিধান চন্দ্র রায়ের পর যদি সফল কোনো মুখ্যমন্ত্রীর নাম নিতে হয় তবে সেই নাম হবে শুভেন্দু অধিকারীর। মাত্র দু’মাসের কর্মকাণ্ডের ভিত্তিতে এই তুলনা টেনে তিনি রাজ্যের আগের সব মুখ্যমন্ত্রীদের সম্পর্কে তীব্র সমালোচনা করেছেন।
তথাগত রায় তার পোস্টে রাজ্যের নয়জন মুখ্যমন্ত্রীর উল্লেখ করে তাদের কাজের মূল্যায়ন করেছেন। তিনি বিধানচন্দ্র রায়ের প্রশংসা করে বলেন, নেহরুর অসহযোগিতা সত্ত্বেও তিনি উদ্বাস্তু পুনর্বাসন এবং দুর্গাপুর শিল্পাঞ্চল গড়ে তোলার মতো কাজ করেছিলেন। অন্যদিকে প্রফুল্লচন্দ্র সেন ও অজয় মুখোপাধ্যায়কে গান্ধীবাদী কিন্তু অকার্যকর বলে মূল্যায়ন করেছেন।
আরও দেখুনঃ ‘সরকার যা বলবে তাই পড়াবে!’ উত্তরাখণ্ডে ২৫০ মাদ্রাসায় তালা লাগিয়ে বার্তা ধামির
সিদ্ধার্থশঙ্কর রায়ের সম্বন্ধে বলতে গিয়ে তিনি বলেন, সিদ্ধার্থ শংকর তার আমলে জরুরি অবস্থার সময় চণ্ডনীতি চালিয়েছেন। এছাড়াও সিদ্ধার্থ শংকরকে উল্লেখ করে তিনি বলেন, “কথা বেশি, কাজ কম”। জ্যোতি বসুর মূল্যায়ন করতে গিয়ে তথাগত তাকে ‘মরা মাছের চোখ ওয়ালা মূর্তিমান শয়তান’ বলে আখ্যায়িত করে অভিযোগ করেন যে, তার আমলে অগণিত হত্যাকাণ্ড ঘটেছে এবং ৫৮ হাজার শিল্প রাজ্য ছেড়ে চলে গেছে।
বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যকে “পরাজিত নায়ক” বলে মূল্যায়ন করেছেন তথাগত। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সমালোচনা করে তিনি বলেন, “চোরের শিরোমণি, দুর্নীতির রানী এবং মুসলিম তোষণে অদ্বিতীয়”। শেষে শুভেন্দু অধিকারীর প্রশংসা করে লেখেন, মাত্র দু’মাসে তিনি চুরি, গুন্ডামি, তোষণ ও অপশাসনের বিরুদ্ধে স্পষ্ট অবস্থান নিয়েছেন।
তথাগত রায়ের এই পোস্ট রাজ্যজুড়ে তীব্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করেছে। এই পোস্ট ঘিরে সরব হয়েছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ। তবে সিংহভাগ মানুষই তথাগতের এই পোস্টকে সমর্থন করলেও তাদের মতে সবে মাস দুয়েক হল দায়িত্বে এসেছেন শুভেন্দু। তাই এখনই এতটা উচ্চাকাঙ্খী না হয়ে গিয়ে তাকে সময় দেওয়া উচিত রাজ্যের উন্নয়নের স্বার্থে।