Malda: 'স্কুলের মধ্যে ছাত্রীদের সঙ্গে...', ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের 'কীর্তিতে' ছি ছি পড়ল মালদহের হবিবপুরে | Malda School Headmaster Arrested for Alleged physical Abuse of Girl Students - 24 Ghanta Bangla News
Home

Malda: ‘স্কুলের মধ্যে ছাত্রীদের সঙ্গে…’, ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের ‘কীর্তিতে’ ছি ছি পড়ল মালদহের হবিবপুরে | Malda School Headmaster Arrested for Alleged physical Abuse of Girl Students

Spread the love

প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে স্কুলের ছাত্রীরা অভিযোগ করেImage Credit: TV9 Bangla

মালদহ: স্কুলের মধ্যেই ছাত্রীদের যৌন নিগ্রহের অভিযোগ ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে। ছাত্রীদের অশ্লীল ভিডিয়ো দেখাতেন বলে অভিযোগ। বিষয়টি জানতে পেরেই শনিবার স্কুলে এসে অভিযুক্ত ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষককে ঘেরাও করে বিক্ষোভ দেখান অভিভাবক ও গ্রামবাসীরা। ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়ায় মালদহের হবিবপুরে। অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।  

স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, অভিযুক্ত শিক্ষকের বাড়ি জেলারই মোথাবাড়িতে। হবিবপুরের এই স্কুলের ভারপ্রাপ্ত ওই প্রধান শিক্ষক সক্রিয় তৃণমূল কর্মী। তৃণমূলের শিক্ষা সেলের সঙ্গে যুক্ত। হবিবপুরের এই স্কুল ছাত্রছাত্রী উভয়েই রয়েছে। অভিযোগ, গোপনে ছাত্রীদের নির্দিষ্ট ঘরে ডেকে আনতেন ওই শিক্ষক। এরপর সেই ছাত্রীকে যৌন নিগ্রহ করতেন। অশ্লীল ভিডিও দেখাতেন। বিষয়টি এক ছাত্রী বাড়িতে জানায়। এরপরে দেখা যায়, ওই একজন ছাত্রী নয়, একাধিক ছাত্রীর সঙ্গেই একই কাণ্ড করেছেন ভারপ্রাপ্ত ওই প্রধান শিক্ষক। এদিন গ্রামবাসীরা তাঁকে ধরে ঘেরাও করে রাখেন। পুলিশ প্রথমে আটক করে। পরে গ্রেফতার করা হয় অভিযুক্তকে।

কী বলছেন স্কুলের এক শিক্ষিকা?

অভিযুক্ত-সহ তিনজন শিক্ষক-শিক্ষিকা রয়েছেন স্কুলে। এক শিক্ষিকা বলেন, “গ্রামবাসীরা মাস্টারমশাইয়ের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছেন। বাচ্চারাও বলছে, তাদের সঙ্গে কুকীর্তি করেছে মাস্টারমশাই। আমরা স্কুলে ৩ জন শিক্ষক। আমরা বাকিরা যখন থাকতাম না কিংবা আগে বেরিয়ে গেলাম, তখন মাস্টারমশাই এরকম করতেন বলে অভিযোগ।”

কী বলছেন অভিভাবকরা?

নির্যাতিত এক ছাত্রীর বাবা বলেন, “আমার মেয়ে ওই স্কুলে পড়ে। ওদের এক মাস্টারমশাই খারাপ ব্যবহার করত। মেয়ে আগেও এসে বলেছে। আমরা তখন তেমন গুরুত্ব দিইনি। গতকাল সন্ধেয় শুনলাম, প্রায় সব বাচ্চাই বলছে, মাস্টারমশাই আমাদের সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করছে। নোংরা ভিডিয়ো দেখাচ্ছে। মাস্টারমশাই তার গোপনাঙ্গ স্পর্শ করায়। আমরা স্কুলে এসে মাস্টারমশাইকে জিজ্ঞাসা করি। তখন তিনি স্বীকার করেন। তাঁকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে। আমরা চাই, তিনি যেন আর শিক্ষকতা না করতে পারেন। না হলে অন্য স্কুলে গিয়েও এরকম করবেন।”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *