Mamata Banerjee: দলের ভাঙন ঠেকাতে নয়া কৌশল তৃণমূলের, 'জনতার দরবার' শুরু করছেন মমতা | TMC Adopts New Strategy to Prevent Party Split, Mamata Banerjee to Launch 'Janatar Darbar' - 24 Ghanta Bangla News
Home

Mamata Banerjee: দলের ভাঙন ঠেকাতে নয়া কৌশল তৃণমূলের, ‘জনতার দরবার’ শুরু করছেন মমতা | TMC Adopts New Strategy to Prevent Party Split, Mamata Banerjee to Launch ‘Janatar Darbar’

Spread the love

কী কৌশল নিচ্ছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়?Image Credit: TV9 Bangla

কলকাতা:  তাসের ঘরের মতো ভাঙছে তৃণমূল। প্রতিদিন একের পর এক নেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়দের শিবিরে যোগ দিচ্ছেন। এই আবহে দলের নেতাদের ‘বাঁচাতে’ নতুন কৌশল নিচ্ছে মমতা-পন্থী তৃণমূল। সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, সংগঠনের শীর্ষ নেতৃত্ব বাদে বাকি কমিটিতে কোনও নেতাদের মনোনীত করার ক্ষেত্রে তাড়াহুড়ো করা হবে না। নেতারা যাতে টার্গেট না হয়, সেকারণেই এই সিদ্ধান্ত। এদিকে, দলের কর্মী-সমর্থকদের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগ রাখতে এবার থেকে প্রত্যেকদিন কালীঘাটে নিজের বাসভবনেই ‘জনতার দরবার’-এ বসবেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

কমিটিতে নেতা মনোনীত করার ক্ষেত্রে কেন তাড়াহুড়ো করছে না তৃণমূল?

দলত্যাগীদের সম্পর্কে মমতা-পন্থী তৃণমূলের ব্যাখ্যা, মূলত দু’টি পদ্ধতিতে দলত্যাগ করানো হচ্ছে। প্রথমত, ভয় দেখানো। আর দ্বিতীয়ত, টাকার লোভ। তবে এখনই আদালত, নির্বাচন কমিশনের কাছেও ছুটছে না তৃণমূলের পুরনো শিবির। একইসঙ্গে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, আইপ্যাকের মতো সংস্থার উপর একশো শতাংশ ভরসা করা হবে না। দল চালাতে আগের মতো সংগঠন মজবুত করাই মূল লক্ষ্য। ছাব্বিশের নির্বাচনে ভরাডুবির পর আইপ্যাকের বিরুদ্ধে একের পর এক নেতা সরব হয়েছিলেন। সেইকারণে আর ভোটকুশলী সংস্থার উপর পুরোপুরি ভরসা রাখতে চাইছেন না মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূল।

মমতার ‘জনতার দরবার’-

দলের নেতারা যখন হাত ছাড়লেন, তখন মানুষের উপর ভরসা রাখতে চাইছেন মমতা। সংগঠনও হাতছাড়া হওয়ার পথে। এই অবস্থায় এবার থেকে প্রত্যেকদিন কালীঘাটে নিজের বাসভবনেই ‘জনতার দরবার’-এ বসবেন মমতা। প্রত্যেকদিন দুপুর তিনটে থেকে সন্ধ্যা সাতটা পর্যন্ত দলের নেতা, কর্মী এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলবেন তিনি। জনতার দরবার হবে তৃণমূলের পার্টি অফিসেও। সেখানে থাকবেন দলের সেকেন্ড ইন কম্যান্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।

মমতার জনতার দরবার নিয়ে এদিন বেলেঘাটার তৃণমূল বিধায়ক কুণাল ঘোষ বলেন, “শুধু ওই কয়েকঘণ্টা নয়। মমতাদি রাত দুটো আড়াইটে পর্যন্ত ফোনে থাকছেন। সব সামলাচ্ছেন।” ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়দের নিশানা করে তিনি বলেন, তাঁরা তো এলাকায় যান না। কর্মীদের সঙ্গেও নেই।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *