কোয়াকদের ভূমিকায় লাগাম টানতে চায় রাজ্য, জানালেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী
মন্ত্রীর কথায়, ‘ওঁদের বিলোপ করে দেওয়া হবে, তেমনটা নয়। সেটা সম্ভবও নয়। কারণ গোটা দেশের গ্রামাঞ্চলের একটা বড় অংশে ওঁরা পরিষেবা দেন। তবে কোয়াকদের একটা বড় অংশের মধ্যে ‘ম্যালপ্র্যাকটিস’-এর প্রবণতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বলেন, ‘কথায় কথায় অ্যান্টিবায়োটিক এবং অন্যায্য ওষুধ লেখার প্রবণতাটাকে বন্ধ করাই আমার লক্ষ্য।’ গ্রামীণ স্বাস্থ্য সহায়কদের সংগঠনগুলিও নিয়ন্ত্রণ ও প্রশিক্ষণের পক্ষে সওয়াল করেছে। প্রোগ্রেসিভ রুরাল মেডিক্যাল প্র্যাক্টিশনার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের রাজ্য সভাপতি দিলীপকুমার পান বলেন, ‘আমরাও চাই সরকারের নির্দিষ্ট নিয়ন্ত্রণ ও নজরদারি থাকুক গ্রামীণ স্বাস্থ্য সহায়কদের উপরে। প্রয়োজন সঠিক প্রশিক্ষণও।’