ফ্রিজ হওয়া অ্যাকাউন্ট থেকে নির্বাচনের জন্য ২৫ লক্ষ খরচ সন্দীপনের! দাবি কুনালের
কলকাতা: তৃণমূল কংগ্রেসের বিদ্রোহী বিধায়কদের বিরুদ্ধে নতুন করে আক্রমণ শানালেন (Sandeepan Saha)দলের মুখপাত্র ও বিধায়ক কুনাল ঘোষ। তিনি অভিযোগ করেছেন, বিদ্রোহী বিধায়ক সন্দীপন সাহা নির্বাচনে…
কলকাতা: তৃণমূল কংগ্রেসের বিদ্রোহী বিধায়কদের বিরুদ্ধে নতুন করে আক্রমণ শানালেন (Sandeepan Saha)দলের মুখপাত্র ও বিধায়ক কুনাল ঘোষ। তিনি অভিযোগ করেছেন, বিদ্রোহী বিধায়ক সন্দীপন সাহা নির্বাচনে মোট ২৭ লক্ষ টাকার বেশি খরচ করেছেন, যার মধ্যে ২৫ লক্ষ টাকা নেওয়া হয়েছিল তৃণমূলের সেই ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থেকে, যে অ্যাকাউন্টটি পরে ফ্রিজ করা হয়েছে।
কুনাল ঘোষ বলেন, “সন্দীপন সাহারা প্রথমবার তৃণমূলের প্রতীকে এবং দলের টাকায় বিধায়ক হয়েছেন। আজ সেই একই অ্যাকাউন্টের তদন্ত চাইছেন। এটা কোন ধরনের আচরণ? তাঁদের উচিত অবিলম্বে টাকা নির্বাচন কমিশনে ফিরিয়ে দেওয়া। আইন অনুসারে, যদি কোনো নির্বাচনে অবৈধ অর্থ ব্যবহার হয়, তাহলে সেই নির্বাচন বাতিল বলে গণ্য হতে পারে। এটা একটা ষড়যন্ত্র।
আরও দেখুনঃ
এই পিঠে ছুরি মারা বিদ্রোহীরা বিরোধীদের পরামর্শ অনুসারে কাজ করছে।”ঘটনাটি ঘিরে রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়েছে। সন্দীপন সাহা সহ কয়েকজন তৃণমূল বিধায়ক সম্প্রতি দলের অভ্যন্তরীণ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে প্রকাশ্যে প্রশ্ন তুলেছেন এবং দলীয় অ্যাকাউন্টের তদন্ত দাবি করেছেন। তারপরই দল সেই অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করার উদ্যোগ নেয়। এখন কুনাল ঘোষের অভিযোগ, ওই অ্যাকাউন্ট থেকেই নির্বাচনী খরচ করা হয়েছে।স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে আলোচনা চলছে, এই অভিযোগ কতটা গুরুতর।
একজন তৃণমূল কর্মী নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, “দলের টাকায় যাঁরা জিতে এসেছেন, তাঁরাই আজ দলের বিরুদ্ধে অস্ত্র তুলছেন। এটা সাধারণ কর্মীদের কাছে খুবই হতাশাজনক।” অন্যদিকে, বিদ্রোহীদের ঘনিষ্ঠ একজন বলছেন, “দলের অভ্যন্তরীণ গণতন্ত্র নিয়ে প্রশ্ন তুললে তাঁদের এভাবে আক্রমণ করা হচ্ছে। টাকার অ্যাকাউন্ট নিয়ে স্বচ্ছতা চাওয়াটা তো অন্যায় নয়।”
কুনাল ঘোষ আরও বলেছেন, প্রথমবারের বিধায়ক হিসেবে সন্দীপন সাহা দলের প্রতীক এবং সংগঠনের সমর্থন পেয়ে জয়ী হয়েছেন। এখন সেই দলের বিরুদ্ধেই অবস্থান নেওয়া এবং একই সঙ্গে দলের ফান্ডের তদন্ত চাওয়া এটা স্পষ্টতই বিরোধীদের সঙ্গে মিলে চলা ষড়যন্ত্র। তিনি স্পষ্টভাবে দাবি করেছেন, ব্যবহৃত টাকা নির্বাচন কমিশনে ফেরত দেওয়া উচিত এবং প্রয়োজনে আইনি পথে এগোনো উচিত।