অবসরের পর বিলিয়ন ডলার মূল্যের বিমানগুলো কোথায় যায় জানেন? - 24 Ghanta Bangla News
Home

অবসরের পর বিলিয়ন ডলার মূল্যের বিমানগুলো কোথায় যায় জানেন?

Spread the love

Aircraft Retirement: আকাশে কোনো বিমান দেখলে প্রায়ই মনে একটি প্রশ্ন জাগে: বিশাল এই যন্ত্রটি ঠিক কত বছর ধরে উড়তে পারে? গাড়ি বা বাসের মতো বিমানেরও…

Aircraft Retirement: আকাশে কোনো বিমান দেখলে প্রায়ই মনে একটি প্রশ্ন জাগে: বিশাল এই যন্ত্রটি ঠিক কত বছর ধরে উড়তে পারে? গাড়ি বা বাসের মতো বিমানেরও আয়ুষ্কাল সীমিত; এগুলো চিরকাল আকাশে উড়তে পারে না। একটা সময় এদের কর্মকাল শেষ হয়ে যায় এবং এগুলোকে পরিষেবার বাইরে বা অবসরে পাঠানো হয়। কিন্তু আপনি কি কখনো ভেবে দেখেছেন এর পেছনের কারণ কী, কিংবা অবসরের পর এই বিমানগুলোর কী হয়?

প্রতিটি বিমানেরই একটি নির্দিষ্ট আয়ুষ্কাল থাকে
একটি বিমানের আয়ুষ্কাল তার নকশা, ব্যবহারের ধরন এবং রক্ষণাবেক্ষণের ওপর নির্ভর করে। বিমান শিল্পে নিরাপত্তাকেই সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হয়। তাই বিমান সংস্থাগুলো কেবল বয়সের ওপর ভিত্তি করে কোনো বিমানকে পরিষেবার বাইরে রাখে না; বরং তারা যাচাই করে দেখে যে, বিমানটি নিরাপদ এবং অর্থনৈতিকভাবে লাভজনকভাবে পরিচালনা করা সম্ভব কি না। একটি বিমানের কর্মজীবন বা ব্যবহারের মেয়াদ সাধারণত ২৫ থেকে ৩০ বছর হয়ে থাকে।

কোন পরিস্থিতিতে কোনো বিমানকে পরিষেবা থেকে সরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়?
যখন কোনো বিমানের রক্ষণাবেক্ষণ অত্যন্ত ব্যয়বহুল হয়ে পড়ে কিংবা নতুন মডেলের বিমানগুলো অধিক জ্বালানি-সাশ্রয়ী বলে প্রমাণিত হয়, তখন বিমান সংস্থাগুলো সেটিকে পরিষেবা থেকে সরিয়ে নেওয়ার কথা বিবেচনা করে। নতুন প্রজন্মের বিমানগুলো কম জ্বালানি খরচ করে এবং পরিবেশগত মানদণ্ডগুলোও আরও ভালোভাবে পূরণ করে। এ ধরনের পরিস্থিতিতে বিমান সংস্থাগুলো পুরোনো বিমানের চেয়ে আধুনিক বিমানকে অগ্রাধিকার দেয়। প্রায়শই বাজারের পরিস্থিতি, যাত্রীদের চাহিদা কিংবা বৈশ্বিক সংকটের কারণে বিমানগুলোকে নির্ধারিত সময়ের আগেই পরিষেবার বাইরে সরিয়ে নিতে হয়।

অবসর গ্রহণের পর বিমানগুলো কোথায় যায়?
একটি বিমানের অবসর মানেই তার অস্তিত্বের সমাপ্তি নয়। পরিষেবা থেকে সরিয়ে নেওয়ার পর অনেক বিমানকেই বিশেষ সংরক্ষণ কেন্দ্রে পাঠানো হয়। এই স্থানগুলো সাধারণত শুষ্ক মরু অঞ্চলে অবস্থিত; সেখানকার কম আর্দ্রতার কারণে বিমানগুলো দীর্ঘ সময় ধরে সংরক্ষিত অবস্থায় টিকে থাকতে পারে। কিছু বিমান ভবিষ্যতে পুনরায় ব্যবহারের জন্য সংরক্ষণ করা হয়, আর অনেক বিমানকে খুলে ফেলে সেগুলোর প্রয়োজনীয় যন্ত্রাংশ সংগ্রহ করা হয়। ইঞ্জিন, আসন, ইলেকট্রনিক সিস্টেম এবং অন্যান্য সরঞ্জামের মতো যন্ত্রাংশগুলো অন্য বিমানে পুনরায় ব্যবহার করা যেতে পারে।

সব বিমানই কি শেষ পর্যন্ত ভাঙারির স্তূপে পরিণত হয়?
একেবারেই না। অনেক অবসরপ্রাপ্ত বিমান নতুন রূপে দ্বিতীয় জীবন পায়। কোনোটিকে কার্গো বিমানে রূপান্তর করা হয়, আবার কোনোটি জাদুঘর, রেস্তোরাঁ বা প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের অংশ হয়ে ওঠে। বিশ্বের অনেক দেশে পুরোনো বিমান পর্যটন ও শিক্ষামূলক কাজেও ব্যবহৃত হয়। তবে যেসব বিমান আর ব্যবহারের উপযোগী নয়, সেগুলোকে পরিবেশগত মানদণ্ড মেনে পুনর্ব্যবহারযোগ্য করা হয়, যাতে এগুলোর ধাতু ও অন্যান্য উপাদান পুনরায় কাজে লাগানো যায়।

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *