২০৩২ এই ইতিহাস সেমি কন্ডাক্টারে! সঙ্গে ১০ লক্ষ কর্মসংস্থানের ঘোষণা অশ্বীনির - 24 Ghanta Bangla News
Home

২০৩২ এই ইতিহাস সেমি কন্ডাক্টারে! সঙ্গে ১০ লক্ষ কর্মসংস্থানের ঘোষণা অশ্বীনির

Spread the love

পাটনা: কেন্দ্রীয় তথ্য ও প্রযুক্তি মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব একটি বড় ঘোষণা করে দেশের (semiconductor)প্রযুক্তি খাতে নতুন আশার আলো জ্বালিয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন, ভারত বিশ্বের সেরা সেমিকন্ডাক্টর…

পাটনা: কেন্দ্রীয় তথ্য ও প্রযুক্তি মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব একটি বড় ঘোষণা করে দেশের (semiconductor)প্রযুক্তি খাতে নতুন আশার আলো জ্বালিয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন, ভারত বিশ্বের সেরা সেমিকন্ডাক্টর ডিজাইন সুবিধা গড়ে তুলতে প্রস্তুত। এই খাতে ২০৩২ সালের মধ্যে ১০ লাখ নতুন চাকরি সৃষ্টি হবে বলে আশা করা হচ্ছে। পাটনায় এক অনুষ্ঠানে বক্তৃতা দিতে গিয়ে মন্ত্রী এই ঘোষণা করেন এবং বলেন, অত্যাধুনিক চিপ ডিজাইন ও উৎপাদনে ভারত দ্রুত এগিয়ে চলেছে।

বিহারের মতো রাজ্যগুলো এই জাতীয় ডিজিটাল ও সেমিকন্ডাক্টর বৃদ্ধির গল্পে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।অশ্বিনী বৈষ্ণব বলেন, “ভারত এখন আর শুধু আইটি সেবা প্রদানকারী দেশ নয়, আমরা বিশ্বের সেরা সেমিকন্ডাক্টর ডিজাইন সুবিধা তৈরি করতে যাচ্ছি।” তিনি উল্লেখ করেন যে, সরকারের সেমিকন্ডাক্টর মিশনের অধীনে দেশে ইতিমধ্যে বেশ কয়েকটি প্রকল্প এগিয়ে চলেছে।

আরও দেখুনঃ নিবছে না আগুন! ‘আমরা ভারতের অংশ এখন থেকে বেরিয়ে যাও’ স্লোগানে উত্তাল POK

গুজরাট, অসম, উত্তরপ্রদেশসহ বিভিন্ন রাজ্যে ইউনিট গড়ে উঠছে। এখন ডিজাইন সেক্টরে বিশ্বমানের অবকাঠামো তৈরির দিকে জোর দেওয়া হচ্ছে। এতে শুধু উৎপাদন নয়, উন্নত গবেষণা ও উদ্ভাবনেরও নতুন দ্বার খুলবে।সেমিকন্ডাক্টর বা চিপ হলো আধুনিক বিশ্বের ‘মস্তিষ্ক’। মোবাইল ফোন, কম্পিউটার, গাড়ি, চিকিৎসা যন্ত্র থেকে শুরু করে কৃষি, প্রতিরক্ষা প্রায় সবকিছুতেই এর প্রয়োজন।

বর্তমানে বিশ্বের বেশিরভাগ চিপ তাইওয়ান, দক্ষিণ কোরিয়া ও চীনের উপর নির্ভরশীল। ভারত এই নির্ভরতা কমিয়ে স্বনির্ভর হতে চায়। মন্ত্রী জানান, ডিজাইন সুবিধা গড়ে তোলার ফলে দেশীয় প্রতিভারা বিদেশে চলে যাওয়ার পরিবর্তে দেশেই উন্নত কাজের সুযোগ পাবেন। এতে মেধা পাচার রোধ হবে এবং অর্থনীতি শক্তিশালী হবে।বিহার প্রসঙ্গে অশ্বিনী বৈষ্ণব বিশেষভাবে আশাবাদী। তিনি বলেন, বিহারের তরুণ প্রজন্ম শিক্ষিত ও উচ্চাকাঙ্ক্ষী।

ডিজিটাল ইন্ডিয়া ও সেমিকন্ডাক্টর মিশনের সঙ্গে যুক্ত হয়ে এই রাজ্য দেশের প্রযুক্তি বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে। পাটনায় তাঁর এই বক্তব্য বিহারের যুবসমাজের মধ্যে নতুন উৎসাহ সৃষ্টি করেছে। স্থানীয় তরুণরা মনে করছেন, এখন আর শুধু সরকারি চাকরির অপেক্ষায় থাকতে হবে না। প্রযুক্তি খাতে উন্নত কাজের সুযোগ তৈরি হচ্ছে।সরকারের এই উদ্যোগের সঙ্গে ‘আত্মনির্ভর ভারত’ ও ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ কর্মসূচির গভীর যোগ রয়েছে।

ইতিমধ্যে টাটা গ্রুপ, মাইক্রন, এএমডি-সহ বেশ কয়েকটি বড় কোম্পানি ভারতে বিনিয়োগ করছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ২০৩০ সাল নাগাদ ভারতের সেমিকন্ডাক্টর বাজারের আকার হতে পারে কয়েকশো বিলিয়ন ডলার। আর ১০ লাখ চাকরি মানে শুধু প্রকৌশলী নয়, টেকনিশিয়ান, গবেষক, সাপ্লাই চেইন কর্মী সব স্তরে কর্মসংস্থান।

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *