HC On LOP: ঠিক কোন বিশেষ নথির জোর? শোভনদেব নন, ঋতব্রতর পক্ষেই গেল আদালতের রায়? স্পষ্ট করলেন সন্দীপন | Calcutta High Court Refuses Interim Relief to Sobhandeb Chattopadhyay, Ritabrata Bandyopadhyay Camp Claims ‘Moral Victory’ - 24 Ghanta Bangla News
Home

HC On LOP: ঠিক কোন বিশেষ নথির জোর? শোভনদেব নন, ঋতব্রতর পক্ষেই গেল আদালতের রায়? স্পষ্ট করলেন সন্দীপন | Calcutta High Court Refuses Interim Relief to Sobhandeb Chattopadhyay, Ritabrata Bandyopadhyay Camp Claims ‘Moral Victory’

Spread the love

কলকাতা: বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের আবেদনে আপাতত হস্তক্ষেপ করলেন না কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি কৃষ্ণা রাও। হাইকোর্টের রায়ের পর সন্দীপন সাহা বললেন,  “এটা আমাদের নৈতিক জয়। যে লড়াইটা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় ও আমি, আমরা শুরু করেছিলাম, যে অনিয়মের বিরুদ্ধে, তাতে আমরা নৈতিক জয় পেলাম।”

বুধবারই কলকাতা হাইকোর্টে বিচারপতি কৃষ্ণা রাওয়ের বেঞ্চে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের আবেদনের শুনানি ছিল। শুনানিতে বারবার বিধানসভার স্পিকারের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন। তৃণমূল থেকে বহিষ্কার করার পরেও কী ভাবে বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে বিরোধী দলনেতা হিসাবে বেছে নিলেন স্পিকার রথীন্দ্র বসু? বিধানসভার মামলায় প্রশ্ন তুলেছিল কলকাতা হাই কোর্ট।  কেন তৃণমূলের তরফ থেকে আসা প্রথম চিঠিকে গুরুত্ব দেওয়া হল না এবং কেন দ্বিতীয় চিঠিটি গ্রহণ করে নেওয়া হল, সেই প্রশ্নও তুলেছেন বিচারপতি কৃষ্ণ রাও। ঋতব্রতকে বিরোধী দলনেতা করার স্পিকারের সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন বালিগঞ্জের বিধায়ক শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। বুধবার সেই মামলার শুনানি শেষ হয়েছে। কিন্তু রায়দানে দেখা যায়, শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের আবেদনে হস্তক্ষেপ করল না আদালত। কিন্তু কেন?

বিধায়ক সন্দীপন সাহা বললেন, “৫৮ জনের বেশি বিধায়ক সমর্থন দিয়ে ঋতব্রতকে বিরোধী দলনেতা করার জন্য অধ্যক্ষকে চিঠি দিয়েছিলেন। সেটা পুরোপুরি নিয়ম মাফিক। স্পিকার তাতে স্বীকৃতি দিয়েছেন। আজকে হাইকোর্টও সেই স্বীকৃতিতে শিলমোহর দিল। আমরা যে কাজটা করেছি, আইন মেনে করা, নৈতিক জয়। বিধায়কদের সমর্থনের সংখ্যা বাড়ছে। যাঁরা  নতুন করে সমর্থন করছেন, সেই মতো চিঠি স্পিকারকে দিচ্ছি।” এই গোটা বিষয়টি আদালতের নজরে আনা হয় বলে তিনি জানান।

TV9 বাংলার তরফে সন্দীপনকে প্রশ্ন করা হয়, শোভনদেবকে বিরোধী দলনেতা চেয়ে ১২ তারিখে চিঠি দেওয়া হয়েছিল, তা ১৬ তারিখে কেন চিঠি গৃহীত হল? এই প্রশ্ন করতেই সন্দীপন বলেন, “কোন তৃণমূল কংগ্রেসের কথা বলছেন? সেই তৃণমূল কংগ্রেস অনেক কথা বলে, অনেক দাবি করে, সেই সাপোর্টিং নথি থাকতে হয়, অধিকাংশ সময়েই দেখা যায়, সেরকম নথি থাকে না। তাঁরা মুখে বলছেন।” উল্লেখ্য, বুধবারের শুনানিতে সেই একই প্রশ্ন তোলেন বিচারপতি রাও। কেন তৃণমূল থেকে দেওয়া প্রথম চিঠিকে গুরুত্ব না দিয়ে দ্বিতীয় চিঠির ভিত্তিতে পদক্ষেপ করা হল? সে প্রশ্ন ওঠে হাইকোর্টেও।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *