১৬ ঘণ্টা কাজ, মারধরের অভিযোগ, গুরুগ্রামের ফ্ল্যাটে ‘বন্দি’ বীরভূমের আদিবাসী তরুণীকে উদ্ধার পুলিশের
পুলিশ ও পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, পরিচারিকার কাজের জন্য ২০২৪ সালে দালাল মারফত দিল্লি গিয়েছিলেন ভাদু। সেই সময়ে তাঁকে ৪০ হাজার টাকা অগ্রিম দেওয়া হয়েছিল। তাঁরাই গুরুগ্রামের আবাসনের ওই ফ্ল্যাটে ভাদুর কাজের বন্দোবস্ত করে দেন। ভাদুর বোন লক্ষ্মী টুডুর অভিযোগ, ‘দিদিকে প্রতিদিন ১৬ ঘণ্টারও বেশি কাজ করতে হতো। প্রায়ই মারধরও করত মালিক।’ ভাদুর ফোনও কেড়ে নেওয়া হয়েছিল বলেও অভিযোগ তাঁর। শুধু তাই নয়, ভাদুকে বাড়ির বাইরে বেরোনো বা পরিবারের কারও সঙ্গে যোগাযোগ করতে দেওয়া হতো না বলেও দাবি করেছেন তাঁর বোন লক্ষ্মী।