প্রয়োজন বুঝেই পুজো অনুদান, সরকারি অর্থব্যয় নিয়ে স্পষ্ট বার্তা শুভেন্দুর
এই বিপুল পরিমাণ সরকারি অর্থ পুজো কমিটির অনুদান হিসেবে ব্যয় করার যৌক্তিকতা নিয়ে বারবার প্রশ্ন উঠেছে। কারণ, কলকাতার বহু পুজো কমিটির বাজেট কোটি টাকারও েবশি। শুধু কলকাতা নয়, অনেক জেলাতেও বিপুল টাকা খরচ করে বারোয়ারি দুর্গাপুজো করার প্রবণতা বেড়েছে। ‘সামান্য’ সরকারি অনুদানের উপরে তাদের পুজোর জৌলুস নির্ভর করে না। তবুও কেন কোনও বাছবিচার না–করে সব পুজো কমিটিকে ঢালাও সরকারি অনুদান দেওয়া হতো, তা তদন্ত করে দেখা প্রয়োজন বলে মনে করছে বিজেপি। এ বছর দুর্গাপুজোর প্রস্তুতি শুরু হয়ে গিয়েছে অনেক জায়গাতেই। তার আগেই অবশ্য বাংলায় রাজনৈতিক পালাবদল ঘটেছে। বাংলার মসনদে এখন বিজেপি। আর রাজ্যের তথ্যসংস্কৃতি দপ্তর মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর হাতে। নতুন সরকারও পুজো অনুদান নিয়ে পূর্বতন সরকারের পথে হাঁটবে কি না, সে দিকেই নজর ছিল সবার। কেন্দ্রে নরেন্দ্র মোদী সরকারের ১২ বছর পূর্তি উপলক্ষে শুক্রবার নিউ টাউনের বিশ্ববাংলা কনভেনশন সেন্টারে সাংবাদিক বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী। সেখানে তাঁর কাছে পুজো অনুদানের বিষয়ে সরকারের অবস্থান জানতে চাওয়া হয়। শুভেন্দু অবশ্য জানান, এ বিষয়ে চূড়ান্ত কোনও সিদ্ধান্ত এখনও নেওয়া হয়নি। তবে বিজেপি সরকারের মনোভাব স্পষ্ট করেছেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘দুর্গাপুজো নিয়ে আলোচনা করব। তথ্যসংস্কৃতি দপ্তর আমার হাতেই আছে। আমার সঙ্গে একজন প্রতিমন্ত্রী আছেন। একটা কথা বলতে পারি, ওই সামান্য সরকারি অর্থ যাঁদের প্রয়োজন নেই, তাঁদের দেওয়ারও দরকার নেই। যাঁরা এই অর্থ না পেলে পুজো করতে পারবেন না, তাঁদের পাশেই সরকার থাকবে। পুজো হবে। আরও বেশি সংখ্যায় হবে।’