Annapurna Yojana Form: ১২ পাতার অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের ফর্ম, বুঝতে না পারলে কার কাছে যাবেন, জানুন | Know what to do if you have difficulty filling out the 12 page Annapurna Bhandar form
অন্নপূর্ণা ভান্ডার ফর্ম ফিলাপImage Credit: Diptendu Dutta/NurPhoto via Getty Images
কলকাতা: বারো পাতার অন্নপূর্ণা যোজনার ফর্ম (Annapurna Yojana) আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। সেই ফর্ম ডাউনলোড (Form Download) করাও যাচ্ছে। শুক্রবার থেকেই অনেকেই ফর্ম ফিলআপ করা শুরু হয়ে যাবে। এক্ষেত্রে ফর্মফিলাপ করার সময় যদি কারও কোনও প্রশ্ন থাকে, কিংবা বুঝতে না পারেন তাহলে তাঁরা কী করবেন? কোথায় গেলে সুরাহা হবে?
বুঝতে না পারলে কী করবেন?
এই প্রকল্পে আবেদনকারীদের নাম খতিয়ে দেখার কাজটি করবেন রাজ্য সরকারের অনুমোদিত প্রশাসনিক কর্তারা। বিডিও (BDO) বা পুরসভার আধিকারিকরা নতুন আবেদন খতিয়ে দেখবেন। রাজ্য জুড়ে ৩০ দিনের একটি ডোর-টু-ডোর বা বাড়ি বাড়ি ভেরিফিকেশন প্রক্রিয়া হবে। ফলে, যদি ফর্ম-ফিলাপ করতে গিয়ে কারও সমস্যা হয় তাহলে তাঁরা বিডিও-র সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারবেন। তবে, এখনও অবধি এই বিষয়ে সরকারের তরফে কোনও রকম টোল-ফ্রি নম্বর দেওয়া হয়নি।
সরকারকে কী কী তথ্য জানাতে হবে?
ক) আবেদনকারীর নাম-পরিচয়, আধার নম্বর তো দিতেই হবে। এখানেই শেষ নয়, একই সঙ্গে লাগবে পরিবারের সব সদস্যদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট নম্বর ও আইএফএসসি (IFSC) কোড দিতে হবে। জানাতে হবে রেশন কার্ড আছে নাকি
খ) এছাড়া পরিবারের সদস্যদের স্বাস্থ্যবিমা থাকলে, সেই সংক্রান্ত তথ্য় দিতে হবে। পরিবারের কে কোথায় চাকরি করেন তা জানাতে হবে। একই সঙ্গে জানাতে হবে আবেদনকারীর পরিবারে চারচাকা গাড়ি আছে কি না। আবেদনকারী কি পাকা বাড়িতে থাকেন? থাকলেও কটি পাকা বাড়ি আছে?
গ) এছাড়াও আবেদনকারীর পরিবারের বার্ষিক আয়, তিনি আর কোনও প্রকল্পের সুবিধা পান কি না তাও জানাতে হবে। একই সঙ্গে নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন অনুযায়ী সার্টিফিকেট পাওয়ার আবেদন করেছেন কি না, এসআইআর প্রক্রিয়ার ট্রাইবুনালে নাম বিচারাধীন আছে কি না,সেই তথ্যও জানাতে হবে সরকারকে।