খাদ্যমন্ত্রীকে সংবর্ধনা মতুয়াদের, এলেন না ঠাকুরবাড়ির কেউই
এই মুহূর্তে ঠাকুরবাড়িতে মতুয়াদের তিনটি সংগঠন রয়েছে। একটি তৃণমূল প্রভাবিত অল ইন্ডিয়া মতুয়া মহাসঙ্ঘ, যার সঙ্ঘাধিপতি তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ মমতাবালা ঠাকুর। বিজেপি প্রভাবিত দ্বিতীয় সংগঠনের সঙ্ঘাধিপতি কেন্দ্রীয় জাহাজ প্রতিমন্ত্রী শান্তনু ঠাকুর। বছর খানেক আগে আরও একটি মতুয়া সংগঠন হয়েছে, যার মাথায় আছেন শান্তনুর দাদা তথা গাইঘাটার বিজেপি বিধায়ক সুব্রত ঠাকুর। এ বারের নির্বাচনে আগে সার প্রক্রিয়ায় বহু মতুয়ার নাম বাদ গিয়েছে। মতুয়াদের ক্ষোভকে কাজে লাগিয়ে জয়ের স্বপ্ন দেখেছিল তৃণমূল। কিন্তু সিএএ–তে আবেদন করলে নাগরিকত্ব দেওয়া হবে, প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এই আশ্বাসে বিশ্বাস রেখেছে মতুয়ারা। ফলে মতুয়া গড়ের বনগাঁ উত্তর, দক্ষিণ, গাইঘাটা এবং বাগদা কেন্দ্রে ধরাশায়ী হয়েছে তৃণমূল। গত ২৫ বৈশাখ রাজ্যের প্রথম যে পাঁচজন মন্ত্রী শপথ নিয়েছেন, তার মধ্যে রয়েছেন বনগাঁ উত্তরের বিজেপি বিধায়ক অশোক কীর্তনিয়া। খাদ্য ও সমবায়ের মতো দু’টি গুরুত্বপূর্ণ দপ্তরের মন্ত্রীর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে তাঁকে। এতদিন বনগাঁর চারটি কেন্দ্রেই মতুয়াদের একচ্ছত্র নেতা ছিলেন শান্তনু ঠাকুর। আগে অশোক কীর্তনিয়ার সঙ্গে শান্তনুর সখ্য ছিল। কিন্তু ২০২১–এর পর থেকে সেই সম্পর্ক তলানিতে গিয়ে থেকে। অশোকের সুপারির ব্যবসা সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে তাঁদের মধ্যে বিরোধের শুরু বলেই বিশ্বস্ত সূত্রের খবর।