Nandigram Jahaj Bari Controversy: কেন নাম দেওয়া হয় ‘জাহাজ বাড়ি’? মুখ্যমন্ত্রী এই বাড়ি নিয়ে কথা বলতেই ব্যাখ্যা দিলেন বাড়ি মালিক সুফিয়ান | Nandigram ‘Jahaj Bari’ Back in Spotlight: CM Suvendu Adhikari Targets Sheikh Sufiyan
নন্দীগ্রাম: পূর্বতন মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়েরও নজরে পড়েছিল। বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর মুখে আরও এবার উঠে এল নন্দীগ্রামের ‘জাহাজ বাড়ি’র কথা। নন্দীগ্রামের তৃণমূলের কোর কমিটির নেতা শেখ সুফিয়ানের বাড়ি আদতে ‘জাহাজ বাড়ি’ নামে পরিচিত। একুশ পরবর্তী ভোট পরবর্তী সন্ত্রাসের অভিযুক্তদের কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না, নন্দীগ্রামের মাটিতে দাঁড়িয়ে এই বার্তা দিতে গিয়েই মুখ্যমন্ত্রীর মুখে উঠে আসে জাহাজ বাড়ির কথা। তিনি বলেন, “আমাকে লিখে রাখতে হয় না। জাহাজ বাড়ির কথা আমার মাথায় রয়েছে। সবকা সাথ, সবকা বিকাশ হবে, পাশাপাশি সবকা হিসাবও হবে।” বাড়ির কথা উঠতেই এবার এই নিয়ে TV9 বাংলার কাছে মুখ খুললেন বাড়ির মালিক শেখ সুফিয়ান।
কেন এই বাড়ির নাম জাহাজ বাড়ি হল? শেখ সুফিয়ান বললেন, “আমার বাড়ি আসলে জাহাজ বাড়ি নয়। আমার ১৯৯৮ সাল থেকে ব্যবসা, ট্রলারের ব্যবসা। দিঘাতে মাছ ধরার ট্রলারের ব্যবসা। সেই ট্রলারটাকেই স্মৃতি হিসাবে বাড়িতে রেখেছি। ওটা মাছ ধরার ট্রলার। সেটাকে হাইলাইট করে বলছে জাহাজ বাড়ি।” বাড়িটি চারতলা। তিন তলায় টাঙানো মমতার ছবি। চার তলার অংশটায় মাস্তুল আকারের দণ্ড রয়েছে। পুরো বাড়িটি ওয়ানওয়ে গ্লাস দিয়ে তৈরি। একতলা মেঝে করা থাকলেও বাকি তিনটি তলা মার্বেলে মোড়া। বাড়িটি বানাতে লক্ষাধিক টাকা খরচ হয়েছে বলে খবর।
তবে এই নিয়ে বিতর্ক নয়, বিতর্ক বরং তাঁকে ঘিরে, মূলত রাজনৈতিক কারণে। সুফিয়ানের কথায়, “আসলে আমার দোতলা বাড়িটা ফ্যাক্টর নয়। ফ্যাক্টর হচ্ছে আমি। আমি তৃণমূল কংগ্রেস করি, নেতৃত্ব দিই। আমি কোনও খারাপ কাজ করি না। আমার বিরুদ্ধে তো দেবব্রত মাইতিকে মারার কেস দিয়েছে। অনেক মিথ্যা মামলা দিয়েছে। আমার জামিনও হয়েছে, আর কিছু বাকি রয়েছে। ওই নিয়ে টেনশন নেই।”
তবে মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “ভোট পরবর্তী পরিস্থিতিতে প্রত্যেকের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়েছে। বাংলায় এখন যা চলছে, তাতে মুখ্যমন্ত্রীর মুখে এই ভাষা মানায় না। আগে মুখ্যমন্ত্রী বর্তমান পরিস্থিতি সামাল দিন।”
ন্দীগ্রামের জমি আন্দোলনের অন্যতম নেতা সুফিয়ান। এক সময় বামপন্থী ছিলেন। পরে অর্থাৎ ২০০৩ সালে দেবীশঙ্কর পণ্ডার হাত ধরে তৃণমূলে যোগদান করেন। ২০০৪ সালে নন্দীগ্রাম ১ ব্লক তৃণমূল সভাপতি। তাঁর বাড়ি নিয়ে কোনও অবৈধ নির্মাণের অভিযোগ নেই, তবে রাজনৈতিক কারণে আবারও সুফিয়ান আলোকচর্চায়।