Laketwon Messi Idol: জেলে সুজিত, দুলছে মেসি, ভয়ে কাঁপছে লেকটাউনবাসী | Laketown Messi idol is in danger zone kolkata said by PWD - 24 Ghanta Bangla News
Home

Laketwon Messi Idol: জেলে সুজিত, দুলছে মেসি, ভয়ে কাঁপছে লেকটাউনবাসী | Laketown Messi idol is in danger zone kolkata said by PWD

Spread the love

লেকটাউনে মেসির মূর্তিImage Credit: Tv9 Bangla

কলকাতা: কলকাতায় লিওনেল মেসি এসেছিলেন। ঠিক তার আগে-আগেই লেকটাউনে ‘শ্রীভূমি স্পোর্টিং ক্লাব’-এর পক্ষ থেকে লিওনেল মেসির একটি মূর্তি তৈরি করা হয়। যা নিয়ে কোর্ট-কাছারিও কম হয়নি। তবে, সেই মূর্তিই এখন লেকটাউনবাসীর মনে আতঙ্ক তৈরি করছে। কারণ, হাওয়া দিলেই দুলছে মেসির সেই মূর্তি। আর এর জেরে লেকটাউনের ব্যস্ততম মোড়ে যে কোনও সময় ঘটে যেতে পারে অঘটন। এখন প্রশ্ন তাহলে কি সেই মূর্তিও ফাঁপা? ইতিমধ্যেই, পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ইডির হাতে গ্রেফতার হয়েছেন সুজিত বসু। আপাতত তিনি জেলে। কিন্তু তার উদ্যোগে তৈরি মূর্তি এখন কার্যত আতঙ্কের কারণ লেকটাউনবাসীর।

লেকটাউন এমনই ব্য়স্ততম মোড়। প্রতিদিন এখান দিয়ে প্রচুর মানুষ যাতায়াত করেন। সেখানেই এমন ঘটনা। জানা যাচ্ছে, সোমবার সকালে PWD-র কয়েকজন আধিকারিক আসেন এখানে। তাঁরা এসে জায়গা পরীক্ষা করেন। এই মেসির মূর্তির স্বাস্থ্যের অবস্থা ভাল নেই। জোরে হাওয়া দিলেই দুলছে, ঝড় হলে যে কোনও সময় মুখ থুবড়ে পড়ে যেতে পারে মূর্তি। যেহেতু মূর্তিটি ফাইবার দিয়ে তৈরি অভিযোগ বড় অংশ ফাঁপা রয়েছে। এমনকী যে নির্মাণের উপর মূর্তিটি দাঁড়িয়ে সেটিও সঠিক পর্যায়ে তৈরি হয়নি।

মেসির মূর্তি তৈরিতে কত খরচ হয়েছিল?

রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী সুজিত বসুর উদ্যোগে ‘শ্রীভূমি স্পোর্টিং ক্লাব’ লিওনেল মেসির ৭০ ফুট উঁচু মূর্তি তৈরি করে। তবে এটি তৈরিতে কত খরচ হয়েছিল তার কোনও অঙ্কের হিসাব ক্লাবের পক্ষ থেকে বা রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে প্রকাশ্যে জানানো হয়নি।

কে বানায় এই মূর্তি?
মাত্র ৪০ দিনের রেকর্ড সময়ে শিল্পী মন্টি পালের তত্ত্বাবধানে এই বিশাল মূর্তিটি তৈরি হয়। খোদ মেসি এটির উদ্বোধন করেন।

মূর্তি নিয়ে কোর্টে গড়াল জল…

লেকটাউনে মেসি ও মারাদোনার মূর্তি বসানো নিয়ে জনস্বার্থ মামলা দায়ের হয়। আবেদনকারী স্বদেশ মজুমদারের দাবি, সুপ্রিম কোর্টের পর্যবেক্ষণ রয়েছে, মানুষের বাধা সৃষ্টি করে সরকারি জমিতে কোন মূর্তি বা স্থাপত্য শিল্প করা যাবে না। সরকারি জমিতে মেসি ও মারাদোনার মূর্তি হয়েছে কি না রিপোর্ট তলব করেছিল কলকাতা হাইকোর্ট।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *