PSC Scam: শানুর নিয়োগের পিছনে কৌশিক ভট্টাচার্য? কে এই ব্যক্তি? | Kaushik Bhattacharya Behind Shanu Bakshi’s BDO Recruitment? Explosive Allegations in Bengal PSC Scam
কৌশিক ভট্টাচার্য ও শানু বক্সিImage Credit: Social Media
কলকাতা: পিএসসি নিয়োগ পরীক্ষায় প্রশান্ত বর্মণ, শানু বক্সির বিডিও হওয়া নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগ নিয়ে শোরগোল। তারই মধ্যে সামনে এল এক নাম। কৌশিক ভট্টাচার্য। কে এই কৌশিক ভট্টাচার্য? পিএসসি-র নিয়োগ দুর্নীতিতে তাঁর ভূমিকা কী? এই কৌশিক ভট্টাচার্যকে নিয়ে একের পর এক অভিযোগ করলেন দক্ষিণ ২৪ পরগনার বিজেপি নেতা অভিজিৎ দাস (ববি)। সোশ্যাল মিডিয়ায় এই নিয়ে কৌশিক ভট্টাচার্যের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ করলেন তিনি।
সোশ্যাল মিডিয়ায় কী লিখেছেন অভিজিৎ দাস?
২০২৪ সালে লোকসভা নির্বাচনে ডায়মন্ড হারবারে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে প্রার্থী হয়েছিলেন অভিজিৎ দাস। শানু বক্সি ফলতার প্রাক্তন বিডিও। অভিজিৎ দাসের অভিযোগ, পিএসসি পরীক্ষায় শানু বক্সির প্রত্যেক পেপারে ৭০-৮০ নম্বর বাড়ানো হয়েছে। আর সবকিছুর পিছনে নাকি রয়েছেন কৌশিক ভট্টাচার্য। শানুর সঙ্গে কৌশিকের একাধিক ছবি সামনে এসেছে।
কে এই কৌশিক ভট্টাচার্য?
অভিজিৎবাবুর বক্তব্য, কৌশিক ভট্টাচার্য পিএসসি-র একজন suspended UDC (আপার ডিভিশন ক্লার্ক)। যাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ, টাকার বিনিময়ে নির্বাচিত পরীক্ষার্থীদের কাছে PSC-র প্রশ্নপত্র পৌঁছে দেওয়া হত। শুধু তাই নয়, তদন্তে উঠে এসেছে তাঁর ‘ছাত্রছাত্রী’ বলে পরিচিত বহু ব্যক্তি পরবর্তীতে সরকারি চাকরি, এমনকি প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ পদও পেয়েছেন। অভিজিৎবাবু বলেন, ছয় বছর ধরে কৌশিক ভট্টাচার্যকে সাসপেন্ড করা হলেও কোনওদিন কখনও কোনও তদন্তকারী অফিসার তাঁকে জেরা করেননি।
অভিজিৎবাবু দাবি করেছেন, ২০১৭ সালের WBCS মেইন পরীক্ষায় অন্তত আটজন পরীক্ষার্থী প্রথমে উত্তীর্ণই হতে পারেননি। অথচ পরবর্তীকালে রহস্যজনকভাবে তাঁদের নাম এক্সিকিউটিভ তালিকায় দেখা যায়। তাঁর প্রশ্ন, ফেল করা পরীক্ষার্থীরা এক্সিকিউটিভ ক্যাডারে ঢুকল কীভাবে? কার নির্দেশে নম্বর বাড়ানো হল? কারা ফাইনাল মেরিট লিস্ট বদলাল? PSC-র ভিতরে বসে কারা ‘ফিক্সড রিক্রুটমেন্ট’ চালাচ্ছিল? আর সেই চক্রের সঙ্গে শানু বক্সির সম্পর্ক কী?
একইসঙ্গে তিনি প্রশ্ন তোলেন, কৌশিক ভট্টাচার্য সাসপেন্ড হলেও, তাঁর মাধ্যমে সুবিধা পাওয়া অভিযোগে অভিযুক্ত BDO ও অফিসারদের বিরুদ্ধে কেন কোনও ব্যবস্থা নেয়নি তৎকালীন তৃণমূল সরকার? নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানান তিনি। তাঁর দাবি, “যারা এই চক্রের সুবিধাভোগী, তাদের প্রত্যেকের নিয়োগ, নম্বর, ইন্টারভিউ প্রসেস, ফাইনাল ট্রেল এবং রাজনৈতিক যোগাযোগের পূর্ণাঙ্গ ফরেনসিক তদন্ত হতেই হবে।”