তৈরি ১৩ ইঞ্জিনিয়ারের অনুসন্ধান কমিটি, অবৈধ নির্মাণ খুঁজে বার করবে পুর-দল
যদিও এই বিষয়ে মেয়র গৌতম দেব বলেন, ‘যেমন তথ্য জানতে চাওয়া হয়েছে তেমনভাবেই সব তথ্য ও রিপোর্ট জানা গিয়েছে, শিলিগুড়ি পুরসভার ১-৫, ১৮, ২৮, ৩১-৪৪8 নম্বর ওয়ার্ডগুলিতে সব থেকে বেশি অবৈধ নির্মাণ রয়েছে। কারণ এই ওয়ার্ডগুলিতে বহু বাসিন্দার জমির সঠিক নথি নেই। এখানকার বাসিন্দাদের একটি বড় অংশ রেল, সেচ ও সরকারের বিভিন্ন খাস জমির উপর বাড়ি করে রয়েছেন। এর বাইরেও অন্য ওয়ার্ডগুলিতেও কিছু সংখ্যক অবৈধ বিল্ডিং রয়েছে বলে অভিযোগ। বর্তমান রাজ্য সরকার অবৈধ নির্মাণ প্রসঙ্গে ‘বুলডোজার’ নীতি নেওয়ায় চিন্তা বেড়েছে পুরকর্তাদের। পুরসভার এক আধিকারিক বলেন, ‘নির্দেশিকায় বলা হয়েছে বর্তমানে শহরে যতগুলো বিল্ডিং তৈরির কাজ চলছে, তার মধ্যে যেগুলির প্ল্যান পাস করানো নেই, সেগুলো খুঁজে বের করে রিপোর্ট পাঠাতে হবে।’ পুরসভা সূত্রে জানা গিয়েছে, এই বিশেষ দলে থাকা ১৩ জন ইঞ্জিনিয়ারকে বিভিন্ন ওয়ার্ডের দায়িত্ব ভাগ করে দেওয়া হয়েছে।