Aamir Khan: 'সন্তান' হারিয়েছেন আমির খান! মানসিক অবসাদ নিয়ে মুখ খুললেন মিস্টার পারফেকশনিস্ট | Aamir Khan talked about his failure and mental depression - 24 Ghanta Bangla News
Home

Aamir Khan: ‘সন্তান’ হারিয়েছেন আমির খান! মানসিক অবসাদ নিয়ে মুখ খুললেন মিস্টার পারফেকশনিস্ট | Aamir Khan talked about his failure and mental depression

Spread the love

ষাট ছুঁইছুঁই বয়সে এসেও আমির খানের ব্যক্তিগত জীবন সংবাদমাধ্যমের চর্চার কেন্দ্রবিন্দুতে। সমাজের তথাকথিত ‘নীতিপুলিশদের’ কটাক্ষ ও সমালোচনাকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে তিনি নিজের সিদ্ধান্তে অনড়। নতুন সঙ্গী গৌরী স্প্র্যাটের সঙ্গে বর্তমানে দারুণ রয়েছেন অভিনেতা। আমিরের আগের দুই বিয়ের তিন সন্তান এবং গৌরীর প্রথম পক্ষের এক ছেলে— সব মিলিয়ে বেশ ভরভরন্ত পরিবার তাঁদের। কিন্তু পারিবারিক এই সুখের মাঝেও মানসিক শান্তিতে নেই বলিউডের ‘মিস্টার পারফেকশনিস্ট’। তীব্র অবসাদ গ্রাস করেছে তাঁকে।

গত কয়েক বছর ধরে আমির খানের পেশাদার জীবন যেন এক কঠিন গোলকধাঁধায় আটকে গিয়েছে। অভিনেতা কিংবা প্রযোজক— কোনও ভূমিকাতেই তিনি আর আগের মতো দর্শকের মন জয় করতে পারছেন না। একের পর এক ফ্লপ সিনেমা তাঁর সফল কেরিয়ারের গ্রাফকে অনেকটাই নামিয়ে দিয়েছে।

সবশেষ ধাক্কাটি এসেছে গত ১ মে। এদিন মুক্তি পেয়েছিল আমিরের ছেলে জুনেইদ খানের ডেবিউ ছবি ‘এক দিন’। সাউথের জনপ্রিয় অভিনেত্রী সাই পল্লবীর সঙ্গে জুনেইদের অন-স্ক্রিন কেমিস্ট্রি নিয়ে অনেক আশা ছিল আমিরের। ছেলের অভিনয় নিয়ে তিনি নিজে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করলেও, সাধারণ দর্শক ও সমালোচকদের মন ছুঁতে পারেনি এই জুটি। ফলস্বরূপ, মুক্তির মাত্র দুই সপ্তাহের মধ্যেই প্রেক্ষাগৃহ থেকে পাততাড়ি গুটিয়ে নেয় ছবিটি। নিজের একের পর এক ব্যর্থতার পর আমির আশা করেছিলেন ছেলের ছবি হয়তো সুদিন ফেরাবে, কিন্তু সেখানেও জুটল চরম হতাশা।

এই লাগাতার ব্যর্থতা আমির খানকে মানসিকভাবে কতটা বিপর্যস্ত করেছে, তা সম্প্রতি তাঁর নিজের কথাতেই স্পষ্ট হয়েছে। ছবি ফ্লপ হওয়াকে আক্ষরিক অর্থেই ‘সন্তান হারানোর বেদনা’র সঙ্গে তুলনা করেছেন অভিনেতা।

আমির জানান, “যখন আমার কোনও সিনেমা বক্স অফিসে মুখ থুবড়ে পড়ে, আমি প্রায় দুই-তিন মাসের জন্য তীব্র অবসাদে চলে যাই। প্রতিটি সিনেমাই আমার কাছে এক একটা সন্তানের মতো। তাই দর্শক যখন সেটাকে প্রত্যাখ্যান করে, সেই কষ্টটা মেনে নেওয়া ভীষণ কঠিন।”

তিনি আরও যোগ করেন যে, এই ক্ষতি এবং দুঃখকে এড়িয়ে না গিয়ে বরং তার মুখোমুখি হওয়া উচিত। তাঁর মতে, সিনেমা ফ্লপ হলে মন খুলে কাঁদা এবং নিজেকে সময় দেওয়া জরুরি, যাতে ভেতরের কষ্টটা বেরিয়ে যায় এবং নতুন করে আবার ঘুরে দাঁড়ানো সম্ভব হয়।

আমির স্বীকার করেছেন যে, অনেক সময় ট্রেলার বা প্রথম ঝলক দেখেই তিনি আন্দাজ করতে পারেন ছবির ভবিষ্যৎ কী হতে চলেছে। তবে জুনেইদের ‘এক দিন’ ছবিটির ওপর তাঁর পূর্ণ আস্থা ছিল। ভেবেছিলেন দর্শকরা ছবিটি ভালোবাসবেন, কিন্তু বাস্তবে আমিরের সেই স্বপ্ন অপূর্ণই থেকে গেল।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *