‘বুলডোজার নীতি বরদাস্ত নয়!’, বিধানসভা চত্বরে অবস্থান বিক্ষোভে তৃণমূল বিধায়করা
কলকাতা: রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর থেকেই শাসক ও বিরোধী শিবিরের সংঘাত এবার বিধানসভার অলিন্দে আছড়ে পড়ল। এরাজ্যে বিজেপি ক্ষমতা দখলের পর থেকেই সাধারণ মানুষের ঘরবাড়ি ভাঙা এবং হকার …
কলকাতা: রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর থেকেই শাসক ও বিরোধী শিবিরের সংঘাত এবার বিধানসভার অলিন্দে আছড়ে পড়ল। এরাজ্যে বিজেপি ক্ষমতা দখলের পর থেকেই সাধারণ মানুষের ঘরবাড়ি ভাঙা এবং হকার উচ্ছেদের নামে ‘বুলডোজার নীতি’ প্রয়োগ করছে, এই অভিযোগে এবার সুর চড়াল তৃণমূল কংগ্রেস। গরিব মানুষের পেটের ভাত কেড়ে নেওয়ার এই তথাকথিত স্বৈরাচারী পদক্ষেপ এবং জনবিরোধী নীতির বিরুদ্ধে বুধবার বিধানসভার ভিতরে ও বাইরে একযোগে তীব্র অবস্থান বিক্ষোভে শামিল হলেন জোড়াফুলের বিধায়করা। (TMC protest against bulldozer policy West Bengal)
এদিন বিধানসভা অধিবেশন শুরু হতেই স্পিকারের আসনের সামনে প্ল্যাকার্ড হাতে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন তৃণমূল বিধায়করা। পরে অধিবেশন কক্ষ থেকে বেরিয়ে এসে বিধানসভার পোর্টিকো এবং চত্বরে ধর্নায় বসেন তাঁরা। বিক্ষোভকারী বিধায়কদের স্পষ্ট দাবি, “বাংলার মাটি সাধারণ মানুষের অধিকার রক্ষার লড়াইয়ের মাটি। এখানে যোগী-রাজ্যের মতো বুলডোজার চালিয়ে সাধারণ মানুষের রুজি-রুটি কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা কোনও ভাবেই বরদাস্ত করা হবে না।” বিক্ষোভের জেরে এদিন বিধানসভা চত্বরে কার্যত রণক্ষেত্রের মেজাজ তৈরি হয়।
পাখির চোখ গরিবের রুজি-রুটি
তৃণমূল নেতৃত্বের অভিযোগ, বিজেপি সরকার সুপরিকল্পিতভাবে প্রান্তিক মানুষ এবং ফুটপাথের হকারদের উচ্ছেদ করে তাঁদের জীবিকা ধ্বংস করতে চাইছে। এই ‘বুলডোজার রাজ’ রুখতে আইনি লড়াইয়ের পাশাপাশি রাজপথেও যে তাঁরা এক ইঞ্চি জমি ছাড়বেন না, তা এদিনের বিক্ষোভ থেকে স্পষ্ট করে দিয়েছেন ঘাসফুল শিবিরের বিধায়করা। বিধানসভার এই মেগা প্রতিবাদের পর হকার উচ্ছেদ ও বুলডোজার বিতর্ক রাজ্য রাজনীতিতে আরও কত বড় ঝড়ের জন্ম দেয়, এখন সেটাই দেখার।