Rammohan College Ram Controversy: মমতার জমানায় রাম-হারা, শুভেন্দুর জমানায় ফিরল রাম | ‘Ram’ Restored at Rammohan College After Row in Kolkata, BJP MLA Sajal Ghosh Demands Probe
রামমোহন কলেজের ‘রাম’ মুছে যাওয়া নিয়ে বিতর্কImage Credit: TV9 Bangla
কলকাতা: রামমোহন কলেজে থেকে ‘রাম’ বাদ। রাম মুছে গিয়ে শুধু মোহন কলেজ হয়ে গিয়েছিল। আর সেই ছবি সামনে আসতেই বিতর্ক। ইচ্ছাকৃত না অনিচ্ছাকৃতভাবে রামমোহন থেকে ‘রাম’ বাদ দেওয়া হয়েছে কি না, সেই প্রশ্ন উঠে। কিন্তু, বিতর্ক বাধতেই তড়িঘড়ি রামমোহন কলেজে ‘রাম’ ফিরল। এই নিয়ে পুলিশকে তদন্ত করে দেখার কথা বললেন বরাহনগরের বিজেপি বিধায়ক সজল ঘোষ।
আমহার্স্ট স্ট্রিট থানার ঠিক উল্টোদিকেই রামমোহন কলেজ। বিল্ডিংটিতে তিনটি বিভাগ রয়েছে। সকালে রামমোহন কলেজ শুধুমাত্র মেয়েদের জন্য। দিবা বিভাগের নাম সিটি কলেজ। আর সান্ধ্য বিভাগ হল আনন্দমোহন কলেজ। বিল্ডিংয়ের সামনে তিনটি কলেজের নাম পরপর লেখা রয়েছে। কিন্তু, গতকাল পর্যন্ত রামমোহন কলেজের রাম লেখাটি দেখা যাচ্ছিল না। শুধু মোহন কলেজ লেখা ছিল।
জানা গিয়েছে, বিল্ডিংটি মেরামতির সময় রামমোহন কলেজ থেকে রাম লেখাটি মুছে যায়। ইচ্ছাকৃত না অনিচ্ছাকৃতভাবে হয়েছে, তা জানা যায়নি। রাজ্যে পালাবদলের পর রামমোহনের রাম মুছে যাওয়া নিয়ে হইচই শুরু হয়। তারপরই গতকাল তড়িঘড়ি রং তুলি দিয়ে রামমোহনের ‘রাম’ ফিরিয়ে আনা হয়।
কী বললেন বিজেপি বিধায়ক সজল ঘোষ?
দিবা বিভাগ সিটি কলেজের ছাত্র ছিলেন বিজেপি বিধায়ক সজল ঘোষ। পালাবদলের পর কলেজে সজলের ছবি টাঙানো হয়েছে। একইসঙ্গে ফিরেছে রামমোহনের ‘রাম’। এই নিয়ে টিভি৯ বাংলাকে সজল বলেন, “এই কলেজের দিবা বিভাগ যেটা সিটি কলেজ নামে পরিচিত, আমি সেই কলেজের ছাত্র ছিলাম। ওই কলেজের জিএস ছিলাম। আমার রাজনীতির আঁতুড়ঘর। আমি সিটি কলেজে পড়লেও বিল্ডিং একটাই। এই রামমোহন কলেজের একটা ইতিহাস রয়েছে। ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের সঙ্গে সেই ইতিহাসের যোগ রয়েছে। ১০০ বছরের বেশি এই কলেজের বয়স। যারা রামকে মেটাতে গিয়ে রামমোহনকে পর্যন্ত মেটাতে নেমে পড়েছে, এদের কোনও ক্ষমা নেই। আমি পুলিশকে বলব তদন্ত করতে। সিসিটিভি রয়েছে, নিশ্চয় ধরা পড়বে। এর মধ্যে সাম্প্রদায়িক উস্কানির সম্ভাবনা যথেষ্ট। এটা একটা বড় ষড়যন্ত্র।”