৪৮৯ পেয়ে রাজ্যের মধ্যে অষ্টম, আমলা হতে চান শ্রেয়সী
বৃহস্পতিবার উচ্চ মাধ্যমিকের ফল প্রকাশ হতেই যেন উৎসব শুরু হয়ে যায় শিলিগুড়ি গার্লস হাইস্কুলে। শ্রেয়সীর বাড়িতেও ভিড় জমান আত্মীয়, প্রতিবেশীরা। সবার মুখে একটাই কথা, ‘আমরা আমাদের মেয়ের জন্য গর্বিত।’ সবাই যাঁকে নিয়ে গর্ব করছেন, সেই শ্রেয়সীর ইচ্ছে সিভিল সারভেন্ট হয়ে মানুষের কাজ করার। বলছেন, ‘প্রশাসনের মাথায় বসে মানুষের জন্য কাজ করতে চাই।’ বাড়িতে বাবা, মা এবং ঠাকুমা রয়েছেন তাঁর। বাবা জীবনকুমার শীল মুদিখানার ব্যবসায়ী। মা শান্তা শীল একটি বেসরকারি স্কুলের শিক্ষিকা। ওই স্কুলেই চতুর্থ শ্রেণি পর্যন্ত পড়েছেন শ্রেয়সী। এ দিন সেই স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষিকা এবং তাঁর দুই গৃহশিক্ষক সঞ্জীবন দত্ত এবং বিপ্লব রায় এসেছিলেন বাড়িতে। সঞ্জীবন বলেন, ‘যারা বলে আর্টস নিয়ে পড়ে ভবিষ্যৎ নেই, তারা যে আসলে ভুল বলে তা প্রমাণ করল শ্রেয়সী।’