কোমরে আঁচল গুঁজে গেরস্থালি থেকে রাজনীতি, এ বারে মন্ত্রীত্বের শিকে ছিঁড়বে? কী বললেন দু’বারের বিধায়ক চন্দনা?
চন্দনা কবীর সুমনের নাম শুনেছেন কি না, বলা মুশকিল। তবে মন্ত্রীত্বের কথা শুনেই যে ভাবে আঁতকে উঠলেন, যেন বলতে চাইলেন, অমরত্বের প্রত্যাশা নেই, নেই কোনও দাবিদাওয়া, এই নশ্বর জীবনের মানে শুধু কাজ করে যাওয়া। শালতোড়ার দু’বারের বিধায়কের কথায়, ‘পার্টি আমায় অনেক দিয়েছে। আমি স্বপ্নেও ভাবিনি এই সব পাব। তাই ওই সব ভাবছি না। যেন এলাকার উন্নয়ন করে যেতে পারি। এটাই চাইব।’ রান্নাঘরের সামনে একটা বালতিতে কয়েকটা জলের বোতল রাখা ছিল। কথা শেষ করে বোতলগুলো তুলে নিলেন। জল ভরতে হবে। তার পরেই নাকে-মুখে ক’টা ভাত গুঁজে ছুটতে হবে কলকাতায়। কাজ, কাজ। এই তো জীবন কালীদা।