তেলেঙ্গানা, উত্তরপ্রদেশ-উড়িষ্যা জিতিয়ে বংলাতেও ম্যান অফ দ্য ম্যাচ সুনীল - 24 Ghanta Bangla News
Home

তেলেঙ্গানা, উত্তরপ্রদেশ-উড়িষ্যা জিতিয়ে বংলাতেও ম্যান অফ দ্য ম্যাচ সুনীল

Spread the love

কলকাতা: অঙ্গ, কলিঙ্গের পর এবার গেরুয়া শিবিরের হাতের মুঠোয় বঙ্গ। (Sunil Bansal)৪ তারিখ সকাল থেকে শুরু করে রাত অবধি কার্যত রাজনৈতিক ময়দানে শুধুই ছক্কা হাঁকিছে বিজেপি। শেষমেশ সুপ্রিমো …

কলকাতা: অঙ্গ, কলিঙ্গের পর এবার গেরুয়া শিবিরের হাতের মুঠোয় বঙ্গ। (Sunil Bansal)৪ তারিখ সকাল থেকে শুরু করে রাত অবধি কার্যত রাজনৈতিক ময়দানে শুধুই ছক্কা হাঁকিছে বিজেপি। শেষমেশ সুপ্রিমো মমতা বন্দোপাধ্যায়কে বোল্ড আউট করে বাংলার এই নির্বাচনী ম্যাচ এবং মসনদের ক্ষমতা পকেটে পুরেছে গেরুয়া শিবির। তবে এই যুদ্ধ যেটা এত সহজ ছিল না। যুদ্ধের সূচনা করেছিল নির্বাচন কমিশন। ভোটার তালিকার বিশেষ সংশোধনী প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রথমেই ৯১ লক্ষ নাম বাদ দিয়ে তৃণমূলের কোমর ভাঙা শুরু করে কমিশন।

তারপরেই কৌশলী যুদ্ধে চক্রব্যূহ সাজাতে কুরুক্ষেত্রে অবতীর্ন হন সুনীল বনসল। সুনীল বনসল হলেন ভারতীয় জনতা পার্টির (BJP) একজন অত্যন্ত প্রভাবশালী কেন্দ্রীয় জাতীয় সাধারণ সম্পাদক এবং দক্ষ নির্বাচনী কৌশলী।রাজস্থানে অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদ (ABVP) এবং আরএসএস (RSS) প্রচারক হিসেবে তাঁর রাজনৈতিক পথচলা শুরু হয়। অমিত শাহের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ এবং আস্থাভাজন এই নেতা মূলত অন্তরালে থেকে দলের সাংগঠনিক ভিত্তি মজবুত করার জন্য পরিচিত।

আরও দেখুনঃ তৃণমূলের ভরাডুবির নেপথ্যে রয়েছে অভিষেকের হাত! বিস্ফোরক হেভিওয়েট নেতা

সুনীল বনসলকে উত্তরপ্রদেশে বিজেপির অভূতপূর্ব সাফল্যের অন্যতম প্রধান কারিগর হিসেবে বিবেচনা করা হয়। অমিত শাহের সহকারী হিসেবে তিনি উত্তরপ্রদেশে বিজেপির সংগঠন ঢেলে সাজান। বুথ-স্তরে শক্তিশালী সংগঠন তৈরি করে তিনি বিজেপিকে ৮০টির মধ্যে ৭১টি আসন জিততে সাহায্য করেন। তাঁর “পন্না প্রমুখ” এবং বুথভিত্তিক নির্বাচনী কৌশলের মাধ্যমে বিজেপি ২০১৭ সালে উত্তরপ্রদেশে ৩২৫টি আসনে বিশাল জয় পায় বিজেপি।

২০২২ সালেও উত্তরপ্রদেশে পুনরায় ক্ষমতায় ফেরার নেপথ্যে তাঁর সাংগঠনিক দক্ষতাকে কৃতিত্ব দেওয়া হয়। ২০২২ সালে তাঁকে ওড়িশা, পশ্চিমবঙ্গ এবং তেলঙ্গানার দায়িত্ব দেওয়া হয়। ওড়িশায় বছরের পর বছর ধরে চলা নবীন পট্টনায়কের বিজিডি (BJD) শাসনের অবসান ঘটাতে তিনি উত্তরপ্রদেশের আদলেই বুথ স্তরে শক্তিশালী কর্মী বাহিনী গড়ে তোলেন। ২০২৪ সালের ওড়িশা বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে এবং ওড়িশায় প্রথমবারের মতো সরকার গঠন করে, যার পিছনে বনসলের সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনার বড় ভূমিকা ছিল।

এবার সেই ম্যাজিক তিনি দেখালেন বাংলাতেও। সুনীলের দূরদৃষ্টি এবং বুথ ভিত্তিক স্ট্রাটেজি তৈরী যেন কাল হয়ে নেমে এল তৃণমূলের জীবনে। বাংলায় কোন কেন্দ্রে কাকে প্রার্থী করা হবে তা নিয়ে দীর্ঘদিন গবেষণা করেছেন সুনীল এবং আজ সেই গবেষণার ফলশ্রুতিতে বাংলায় সমূলে উৎপাটিত মমতার তৃণমূল সরকার।

ভিডিও নিউজ দেখুন

https://www.youtube.com/watch?v=videoseries

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *